গুয়াহাটি: উচ্চ মাধ্যমিকে প্রথম বিভাগে পাশ করা ছাত্রীদের পুরস্কার হিসেবে স্কুটি দিচ্ছে অসম সরকার। অসমের শিক্ষামন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা বুধবার এই ঘোষণা করেছেন। একইসঙ্গে রাজ্যের কলেজগুলিতে ২৫ শতাংশ আসন রাজ্যের উচ্চমাধ্যমিক পাশ করা ছাত্রছাত্রীদের জন্য সংরক্ষিত রাখা হবে বলে জানান শিক্ষামন্ত্রী।

অসমে উচ্চমাধ্যমিক পাশ করা ছাত্রছাত্রীদের জন্য সুখবর শোনালেন শিক্ষামন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা। বুধবার অসমের শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সব কলেজে ২৫ শতাংশ আসন রাজ্যের উচ্চমাধ্যমিক পাশ করা ছাত্রছাত্রীর জন্য সংরক্ষিত রাখা হবে। একইসঙ্গে এবছর উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষায় প্রথম বিভাগে উত্তীর্ণ হওয়া ২২ হাজার ছাত্রীকে পুরস্কার স্বরূপ রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে স্কুটি দেওয়া হবে।

রাজ্যের পড়ুয়াদের বাড়তি উৎসাহ দেওয়ার পরিকল্পনা করেছে সরকার। এব্যাপারে আগেই সুনির্দিষ্ট একটি পরিকল্পনা তৈরি করে অসম সরকার। বিশিষ্ট শিক্ষাবিদদের থেকে পরামর্শ নিয়েছে অসম সরকার। সেই পরামর্শ অনুযায়ী পরিকল্পনা সাজানো হয়েছে। পড়ুয়াদের উৎসাহ দিতে এরপর পরিকল্পনা মাফিক সুনির্দিষ্ট সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্য সরকার।

ছাত্রছাত্রীদের পড়াশোনায় আরও বেশি উৎসাহিত করে তোলাই লক্ষ্য অসমের সর্বানন্দ সোনওয়াল প্রশাসনের। সেই মতো ছাত্রছাত্রীদের স্বার্থেই ‘প্রজ্ঞান ভারতী’ নামে একটি প্রকল্প হাতে নিয়েছে রাজ্য সরকার। অসম শিক্ষা দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, এবছর ২৫ জুন অসমে উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষায় ফল প্রকাশিত হয়েছে।

মোট পরীক্ষার্থীর ৭৮.২৮ শতাংশ পাশ করেছেন। রাজ্য সরকার পড়ুয়াদের উৎসাহ দিতে ‘প্রজ্ঞান ভারতী’ নামে ওই প্রকল্পের আওতায় এ বছর উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষায় প্রথম ডিভিশনে পাশ করা রাজ্যের ২২ হাজার ছাত্রীকে স্কুটি উপহার দিচ্ছে রাজ্য সরকার।

স্কুটি দেওয়ার ব্য়াপারেও নির্দিষ্ট একটি পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। কোনও ছাত্রী যদি বৈদ্যুতিন স্কুটি চান, তবে তাঁকে রাজ্য শিক্ষা দফতরের নির্দিষ্ট ওয়েবসাইটে গিয়ে আবেদন করতে হবে। সেই আবেদন অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ করবে রাজ্য সরকার।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।