স্টাফ রিপোর্টার, বর্ধমান: দুই উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার্থী হাসপাতালে বসেই মনের জোরে পরীক্ষা দিলেন। বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হয়েছে এবছরের উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা।

পর্ষদ সূত্রে জানা গিয়েছে, পূর্ব বর্ধমান জেলায় এবছর মোট ৩৭ হাজার ৮৭৪ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ১৬ হাজার ৭৫৭ জন ছাত্র এবং ২১ হাজার ১১৭ জন ছাত্রী রয়েছেন। জেলায় ৯৭টি পরীক্ষা কেন্দ্র করা হয়েছে। তার মধ্যে ৩৪টি মূলকেন্দ্র এবং ৭টি স্পর্শকাতর কেন্দ্র রয়েছে।

এদিন খণ্ডঘোষের মাছখাণ্ডা হাইস্কুলের ছাত্র সেখ নুরউদ্দিন বাড়ি থেকে বেরিয়ে পরীক্ষা কেন্দ্রের আসার সময় অসুস্থ বোধ করেন। সঙ্গে সঙ্গে তাঁকে বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানেই তাঁর পরীক্ষা দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়। তার বাড়ি মাছখাণ্ডা গ্রামেই। এবছর তার সিট পড়েছিল বর্ধমান শহরের বড়নীলপুর এডিপি স্কুলে। ওই ছাত্রের পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, কয়েকদিন আগে ক্রিকেট খেলতে গিয়ে তার পেটে বল লাগে। অসুস্থও হয়। এদিন পরীক্ষা দিতে যাবার সময়ই সে ফের অসুস্থ হয়ে পড়ে।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, নির্বিঘ্নেই ওই ছাত্র পরীক্ষা দিয়েছে। আপাতত সে সুস্থ। অপরদিকে, কালনা মহকুমার মন্তেশ্বর ব্লকের রাইগ্রাম উচ্চ বিদ্যালয়ের পরীক্ষার্থী কিতাবুল শেখ পরীক্ষা চলাকালীন হঠাৎ বুকে যন্ত্রণা অনুভব করায় তড়িঘড়ি স্কুল কর্তৃপক্ষ তাকে মন্তেশ্বর প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ভর্তি করেন। সেখানেই তার পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হয়। কিতাবুল শেখ মন্তেশ্বরের তওবা ইনস্টিটিউশন বিদ্যালয়ের ছাত্র।

প্রশ্ন অনেক: দশম পর্ব

Tree-bute: রবীন্দ্রনাথ শুধু বিশ্বকবিই শুধু নন, ছিলেন সমাজ সংস্কারকও