পূজা মণ্ডল, কলকাতা : রাজ্যে আছড়ে পড়তে চলা ঘূর্ণিঝড় ফণী এবং সেই সঙ্গে গরমের ছুটি বর্ধিত করে আগামী শুক্রবার থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত স্কুলগুলিতে ক্লাস সাসপেন্ড করার কথা ঘোষণা করা হয়েছে বিদ্যালয় শিক্ষা দফতরের পক্ষ থেকে বৃহস্পতিবার। ফলে পড়ুয়াদের জন্য নিঃসন্দেহে খুশির খবর হলেও, মাথায় চিন্তার ভাঁজ পড়েছে পড়ুয়াদেরই একাংশের।

যারা এবার একাদশ থেকে দ্বাদশ শ্রেণিতে উঠল তাঁদের ক্লাস শুরু হওয়ার আগেই ২ মাসের জন্য বন্ধ হয়ে গেল। প্রত্যেকবারই গরমের ছুটি থাকে বটে , কিন্তু তা মোটেই এত দীর্ঘ থাকে না। ফলে এবছর সেই তালিকা এত দীর্ঘ হওয়ায় স্বভাবতই ক্লাসের সংখ্যা অনেক কমে গেল। সেই সঙ্গে ক্লাস শুরুর আগেই এই ছুটি কোথাও যেন আগ্রহও কমিয়ে দিল পড়ুয়াদের। এমনটাই কানাঘুষো শোনা যাচ্ছে পড়ুয়া মহলে।

পড়ুন:  Fani: ঘূর্ণিঝড়ের আশঙ্কায় বোর্ডের পরীক্ষা পিছিয়ে দিল বাংলাদেশ সরকার

একাদশ শ্রেণি থেকে সদ্য দ্বাদশ শ্রেণিতে পা দেওয়া কুমার আশুতোষ ব্রাঞ্চের ছাত্রী সৌমী ভট্টাচার্য জানান, “ক্লাস না থাকলে বাড়িতে পড়াশুনো করতে পারি। কিন্তু স্কুল না থাকলে পড়াশুনোর আগ্রহ থাকে না। তাছাড়া এতদিন ছুটি দিয়েছে, স্কুল খুললেই পরীক্ষার নোটিশ ধরিয়ে দেবে তখন খুব বিপদে পড়তে হবে।”

গোখেল মেমোরিয়াল গার্লস হাই স্কুলের এক ছাত্রী (নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক) জানান, “ছুটি পেয়ে ভাল লাগছে, কিন্তু ক্লাসের সংখ্যা অনেক কমে গেল।”

যাদবপুর বিদ্যাপীঠের ছাত্র রাকেশ সরকার জানান, “ছুটি দিয়েছে ঠিক আছে কিন্তু এতদিন ছুটির প্রয়োজন ছিল না।” শুধু পড়ুয়া নয়, ২ মাসের এই দীর্ঘ ছুটি নিয়ে চিন্তায় রয়েছেন অভিভাবকরাও।