মুম্বই: কঙ্গনার বিরুদ্ধে বয়ান রেকর্ড করলেন হৃতিক রোশন। শনিবার তিনি মুম্বইয়ের ক্রাইম ব্রাঞ্চ অফিসে যান। সেখানে ২০১৬ সালের ভুয়ো ইমেল সংক্রান্ত ইস্যুতে বয়ান দেন তিনি। তাঁকে শনিবার সকাল ১১টার মধ্যে উপস্থিত হতে বলা হয়েছিল। নির্দিষ্ট সময়েই ক্রাইম ব্রাঞ্চে হাজিরা দেন তিনি। তাঁর পরনে ছিল কালো টিশার্ট, জিন্স ও টুপি। মুখে ছিল মাস্ক। প্রায় চার ঘণ্টা ধরে চলে বয়ান রেকর্ড। এরপর বাড়ি ফেরেন হৃতিক।

অভিনেতা এদিন ক্রাইম ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের কমিশনারের অফিসে গিয়েছিলেন। সেখানেই তাঁর প্রশ্নোত্তর পর্ব চলে। বেলা ২টো ৪০ মিনিট নাগাদ তিনি অফিস থেকে বের হন। এরপরই কঙ্গনা তাঁর প্রতিক্রিয়া জানান। টুইটারে তিনি লেখেন, “পৃথিবী কোথা থেকে কোথায় পৌঁছে গিয়েছে। কিন্তু আমার বোকা প্রাক্তন এখনও ওখানেই রয়েছে। ওই মোড়েই। যেখানে এই সময় ফিরে যাবে না।” হৃতিক অভিযোগ তুলেছেন, কঙ্গনা তাঁকে শতাধিক ইমেল পাঠিয়েছেন। প্রাথমিক পর্যায়ে পুলিশ কঙ্গনা রানাউতের বয়ান রেকর্ড করে। তাঁর আইডি থেকে যে ইমেলগুলি পাঠানো হয়েছিল সেগুলিও খতিয়ে দেখেছে পুলিশ। যদিও কঙ্গনা ওই ইমেল পাঠানোর কথা অস্বীকার করেছেন। ভারতীয় দণ্ডবিধির ধারা ৪১৯, তথ্য প্রযুক্তি আইন ৬৬ C, ৬৬ D ধারার আওতায় অজ্ঞাত পরিচয় ব্যক্তির বিরুদ্ধে পুলিশের সাইবার ক্রাইম বিভাগে অভিযোগ দায়ের হয়েছে।

২০১৩ সালে ‘কৃষ ৩’ ছবির সময় শোনা যায় কঙ্গনা ও হৃতিক নাকি সম্পর্কে জড়িয়েছেন। কিন্তু কিছুদিনের মধ্যেই তাঁদের সম্পর্ক ভাঙার খবর সামনে আসে। এরপরই শুরু হয় সমস্যা। কঙ্গনা হৃতিকের বিরুদ্ধে একের পর অভিযোগ আনতে থাকেন। তাঁকে মিথ্যে প্রতিশ্রুতি দেওয়ার অভিযোগ তোলেন তিনি। তখন হৃতিকের পাশে দাঁড়িয়েছিলেন তাঁর প্রাক্তন স্ত্রী সুজান। কঙ্গনা ও হৃতিকের সমস্যাকে কেন্দ্র করে দ্বিধাবিভক্ত হয়ে গিয়েছিল বলিউড। গত বছর ডিসেম্বরে হৃতিকের আইনজীবী পুলিশকে এই মামলার তদন্ত শেষ করার আবেদন জানান। এরপরই মামলাটি ক্রিমিনাল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের ক্রাইম ব্রাঞ্চকে হস্তান্তর করা হয়।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।