ওয়াশিংটন: ভারতবর্ষে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ যে ভাবে আছড়ে পড়েছে তাতে মাথায় হাত পড়েছে মন্ত্রী মহল থেকে শুরু করে স্বাস্থ ব্যবস্থায়। প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ মারা যাচ্ছে করোনায় আক্রান্ত হয়ে। ক্রমেই ভারতবর্ষ হয়ে উঠেছে মৃত্যুপুরী। ভারতবাসীর এই নির্মম পরিস্থিতিতে সাহায্যের জন্যে এগিয়ে এসেছেন ব্রিটেন, মার্কিন এমনকি চিরশত্রু পাকিস্তান।

ভারতকে সাহায্যের জন্যে ভারতীয় তারকাদের পাশাপাশি একাধিক বৈদেশিক তারকা অর্থ দান করেছেন। ভারতের এই করোনা যুদ্ধে হলিউডের জয় শেট্টি গঠিত একটি ত্রাণ তহবিলে বলিউড স্টার হৃত্বিক রোশন দান করেছেন ১৫ হাজার ডলার। ভারতীয় মূল্যে তা ১১ লক্ষ টাকা।

জয় শেট্টি সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি পোস্ট শেয়ার করে এই ত্রাণ গঠনের কথা জানিয়েছিলেন। ভারতের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে। হাসপাতাল গুলো করোনা রোগীদের পর্যাপ্ত বেড, অক্সিজেন, ওষুধের জোগান দিতে ব্যর্থ হচ্ছে। তাই ভারতকে সাহায্য করার জন্যে গঠিত এই ত্রাণ তহবিলে একাধিক বৈদেশিক তারকা অর্থ দান করেছেন। যেমন – উইল স্মিথ, শওন মেন্ডেস, রোহান ওজা, কেমিলা কেবেলো প্রমুখ।

জয় জানিয়েছেন, এখনও অবধি তারা ৩.৬৮ মিলিয়ন ডলার সংগ্রহ করেছেন। ভারতীয় মূল্যে যা প্রায় ২৭ কোটির কাছাকাছি। জয় সকলকে অনুরোধ করেছেন তাদের এই উদ্যোগে যথা সম্ভব দান করার জন্যে। যারা এই তহবিলে দান করেছেন তাদের উদ্দেশে কৃতজ্ঞতা জানিয়ে জয় সোশ্যাল সাইটে লিখেছেন, ‘অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাদের প্রত্যেককে, এই উদ্যোগে পাশে থাকার জন্যে। আশা রাখি আমাদের সংগ্রহীত এই অর্থ বহু ভারতীয়র প্রান বাঁচাতে কাজে আসবে। এটা তো সবে শুরু করা। এখনও অনেক কিছু করা বাকি আছে। যার যতটুকু সম্ভব দান করুণ। সবাই পাশে থাকলে তবেই মোকাবিলা করা সম্ভব ভারতীয়দের পক্ষে’।

জয়ের এই ত্রাণ জগারের সংবাদে হৃত্বিক রোশন তাকে কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন। ভারতীয়দের জন্যে অর্থ সাহায্য নিয়ে এগিয়ে আসার জন্যে। হৃত্বিক লিখেছেন, ‘অনেক শুভকামনা জানাচ্ছি তোমায়। দারুণ উদ্যোগ নিয়েছ’। হৃত্বিক নিজে ১১ লক্ষ টাকা দান করেছেন এই তহবিলে।

ভারতের এই দুর্দিনে সোশ্যাল মিডিয়া একটা বিশাল বড় ভূমিকা পালন করছে। সোশ্যাল মিডিয়ার জেরেই আজ বিশ্বের যেকোন প্রান্ত থেকে মানুষ অর্থ দান করতে পারছেন। এছাড়া সোশ্যাল মিডিয়ায় নানা জরুরি তথ্য প্রকাশ করছে বিভিন্ন মানুষ। ফলে খুব তাড়াতাড়ি মানুষ একে অপরকে সাহায্য করতে পারছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.