স্টাফ রিপোর্টার , হাওড়া : হাওড়া জেলার সেরা পুজো নির্বাচিত হল উলুবেড়িয়ার আশাভবন,জেলাশাসক তুলে দিলেন সম্মান । বরাবরই তাঁরা সমাজের কাছে এক ব্যতিক্রমী বার্তা দিয়ে এসেছে। কখনও নিজেদের শৈল্পিক ভাবনার মধ্য দিয়ে আবারও কখনো নিজেদের অক্লান্ত পরিশ্রম দিয়ে। এবারও তার ব্যতিক্রম হয়নি।

এবারও বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন কিশোর-কিশোরীরা উলুবেড়িয়ার আশা ভবনের পুজোকে নানা ভাবে সাজিয়ে তুলেছেন।তাঁদের ভাবনা এবার জেলার সেরা পুজোর সম্মানে সম্মানিত হল।বৃহস্পতিবার হাওড়া জেলা প্রশাসনের তরফে জেলাশাসক মুক্তা আর্য আশা ভবন সেন্টারের ছাত্রছাত্রীদের হাতে বিশ্ববাংলা শারদ সম্মান তুলে দেন।আশা ভবনের ডিরেক্টর জন মেরি বাড়ুই বলেন,”গত কয়েকদিন আগেই নবান্নের সভাঘর থেকে মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী আমাদের পুজোর শুভ উদ্বোধন করেছিলেন।সরকারের তরফে এই সম্মান আমাদের এগিয়ে চলার পথে আরও একরাশ প্রাণশক্তি জোগাল।”

নবান্নের সভাঘর থেকে ‘ভার্চুয়াল’ মাধ্যমে গ্রামীণ হাওড়ার চারটি দুর্গাপুজো সহ হাওড়া জেলার মোট ৪ টি পুজোর সূচনা করেছিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। চারটি পুজোর মধ্যে ছিল উলুবেড়িয়ার কাটিলার আশা ভবন, বাগনানের খালোড় যুব সংঘ, আমতার বেতাই সর্বজনীন দুর্গোৎসব কমিটি ও পাঁচলার রাণীহাটি সর্বজনীন দুর্গোৎসব কমিটি পরিচালিত দুর্গাপুজো। মুখ্যমন্ত্রীর উদ্বোধনকে ঘিরে আগে থেকেই চারটি মন্ডপে ছিল সাজো সাজো রব ছিল। কারন এই প্রথম মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় উদ্বোধন করেন গ্রামীণ হাওড়ার পুজো মণ্ডপ।

নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই কোনও পুজো মন্ডপে পৌঁছে যান জেলাশাসক,আবার কোথাও বা এস.পি কিমবা স্থানীয় বিধায়ক। মুখ্যমন্ত্রী নবান্নের সভাঘর থেকে ঘন্টা বাজানোর মধ্য দিয়ে পুজোগুলির শুভ সূচনা করেন। উলুবেড়িয়ার আশা ভবনে উপস্থিতি ছিলেন হাওড়ার জেলাশাসক মুক্তা আর্য্য,হাওড়া গ্রামীণ জেলা পুলিশ সুপার সৌম্য রায়, রাজ্যের মন্ত্রী নির্মল মাজি, বিধায়ক ইদ্রিস আলি, হাওড়া জেলা পরিষদের সহ-সভাধিপতি অজয় ভট্টাচার্য, আমতায় উপস্থিত ছিলেন আমতা-২ পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি সুকান্ত পাল, আমতা-২ ব্লকের বিডিও আসিফ ইকবাল,আমতার ওসি কিঙ্কর মন্ডল।

অন্যদিকে, পাঁচলার রাণীহাটিতে ছিলেন স্থানীয় বিধায়ক গুলসান মল্লিক, বাগনানে বিধায়ক অরুণাভ সেন সহ পুলিশ ও প্রশাসনের আধিকারিকরা। আশা ভবনের পুজোর অন্যতম উদ্যোক্তা তথা আশা ভবনের ডিরেক্টর জন মেরি জানিয়েছিলেন, “এবার আমাদের পুজো অষ্টম বছরে পদার্পণ করল। মুখ্যমন্ত্রীর হাত দিয়ে আমাদের পুজোর উদ্বোধন হওয়ায় আমরা অত্যন্ত গর্বিত।” এদিকে হাওড়া সদরের অর্থাৎ শহরাঞ্চলের তিনটি পুজো উদ্বোধন করেন মুখ্যমন্ত্রী। উদ্বোধন হয় সালকিয়া ছাত্র ব্যায়াম সমিতি, বিবেকানন্দ স্পোর্টিং ও আদিবাসীবৃন্দ বি গার্ডেন।

জেলবন্দি তথাকথিত অপরাধীদের আলোর জগতে ফিরিয়ে এনে নজির স্থাপন করেছেন। মুখোমুখি নৃত্যশিল্পী অলোকানন্দা রায়।