হাওড়াঃ সারা ভারত কিষাণ সমন্বয় কমিটির পক্ষ থেকে নয়া কৃষি বিল আইন প্রত্যাহারের দাবিতে, দিল্লিতে আন্দোলনরত কৃষকদের লড়াইকে কুর্নিশ জানিয়ে আজ ৭২তম সাধারণতন্ত্র দিবসের সকালে হাওড়ায় ট্রাক্টর র‍্যালির আয়োজন করা হয়।

বালীখাল থেকে হাওড়ার ডিএম বাংলো পর্যন্ত আয়োজিত হয় ট্রাক্টর র‍্যালি। কৃষক আন্দোলনের প্রতি সংহতি জানিয়ে, কর্পোরেট স্বার্থবাহী আইন বাতিলের দাবিতে, ভারতের সংবিধান রক্ষার শপথ নিতে এদিনের এই কর্মসূচি নেওয়া হয়।

হাওড়ার পাশাপাশি রাজ্যের আরও বেশ কয়েকটি জেলাতেও ট্র্যাক্টর র‍্যালি বার করেছেন কৃষকরা। আন্দোলন, বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন বাংলার কৃষকরাও।

উল্লেখ্য, প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে মূল কুচকাওয়াজ শেষ হতেই কৃষক বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষে দিল্লি কার্যত অবরুদ্ধ। অতি গুরুত্বপূর্ণ আইটিও এলাকায় পুলিশ কে কোনঠাসা করে বিক্ষোভকারীদের একাংশ এগিয়ে আসেন। বাধা দিলে শুরু হয় হাতাহাতি। এক পর্যায়ে কৃষকরা ট্রাকটর নিয়ে তেড়ে আসেন। শুরু হয় পাথর ছোঁড়া। আইটিও দিল্লির পুলিশ সদর দফতর।

ফলে পরিস্থিতি আরও ঘোরালো হয়। দরিয়াগঞ্জেও সংঘর্ষ ছড়িয়েছে। কার্যত দিল্লি পুলিশ দিশেহারা। লক্ষাধিক কৃষকের ভিড়ের সামনে একেবারে অসহায় অবস্থা দিল্লি পুলিশের। সরকারের পরবর্তী নির্দেশে অপেক্ষায় তারা। অন্যদিকে, পুলিশের সামনে একের পর এক ব্যারিকেড ভাঙতে শুরু করেছে।

সশস্ত্র কৃষকদের একাংশ হামলা চালিয়েছেন বাসে, পুলিশের উপরেও হামলার অভিযোগ এসেছে। অন্যদিকে সারা ভারত কৃষক সভার সাধারণ সম্পাদক হান্নান মোল্লা জানিয়েছেন, যারা হিংসাত্মক আন্দোলন করছেন তাদের সমর্থন করিনা। এটি ষড়যন্ত্রের সম্ভাবনা। তবে বিক্ষিপ্তহিংসা চলছে।

যদিও লালকেল্লায় ঢুকে পড়েছেন কৃষকেরা। কয়েক হাজার কৃষক এখন লালকেল্লায়। দেখা যাচ্ছে, কৃষকেরা নিজেদের পতাকাও উড়িয়ে দিয়েছে। দেশের সবথেকে বড় আন্দোলন এই মুহূর্তে সংগঠিত হচ্ছে দিল্লির বুকে। ইতিমধ্যেই এক ট্র্যাকটর চালকের মৃত্যু হয়েছে বলে খবর। তবে যেভাবে লালকেল্লায় জাতিয় পতাকা নামিয়ে গেরুয়া পতাকা তুলে দেওয়া হয়েছে তাতে ক্ষুব্ধ দেশের অন্য অংশ।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।