স্টাফ রিপোর্টার , হাওড়া : একুশের বিধানসভাকে পাখির চোখ করে ইতিমধ্যেই দলের সংগঠনকে ঢেলে সাজানোর কাজ শুরু করেছেন তৃণমূল সুপ্রিমো।জোর দেওয়া হচ্ছে যুব মুখের উপর। গত কয়েকদিন আগেই বিভিন্ন সাংগঠনিক জেলায় চেয়ারম্যান,সভাপতি,কো-অর্ডিনেটর ও যুব সভাপতির পদে বহু নতুন মুখ আনা হয়েছে। এরপর আজ সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে বিভিন্ন জেলার দলীয় মুখপাত্রদের নাম ঘোষণা করা হয়।

এক্ষেত্রে অবশ্য সাংগঠনিক জেলার ভিত্তিতে নয়,সমগ্র জেলার ভিত্তিতেই মুখপাত্রের নাম ঘোষণা করা হয়েছে।২৩ টি জেলায় মোট ৩৬ জনকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।হাওড়া জেলায় তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র হতে চলেছেন গ্রামীণ হাওড়া তৃণমূল কংগ্রেসের যুব সভাপতি সুকান্ত পাল।এর পাশাপাশি,দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বিধায়ক বৈশালী ডালমিয়াকেও।

উল্লেখ্য,রাজ্যের বিভিন্ন জেলার যুব সভাপতিদের মধ্যে একমাত্র সুকান্ত বাবুকেই দলের জেলা মুখপাত্র পদে বসানো হয়েছে।সুকান্ত পাল জানান,”মানুষের স্বার্থে মাথা উঁচু করে লড়াই করি।আমার উপর মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়,সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সহ দলীয় নেতৃত্ব আস্থা রেখেছেন।তারজন্য আমি কৃতজ্ঞ।আমি আমার দায়িত্ব সর্বোতভাবে পালনের চেষ্টা করব।”

আগামী বছরেই রয়েছে বিধানসভা নির্বাচন। আর পশ্চিমবঙ্গকে পাখির চোখ করেছে বিজেপি। নির্বাচনের আগে দলের খোল নলচে বদলে বদলে ফেলতে চান দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এর জন্য আগেই দলীয় নেতৃত্বে বড়সড় রদবদল আনা হয়েছে। হাওড়ায় জেলা সভাপতির পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে অরূপ রায়কে। বদলে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে অপেক্ষাকৃত তরুণ মুখ লক্ষীরতন শুক্লাকে। অন্যদিকে, দক্ষিণ দিনাজপুরে জেলা সভাপতির পদ থেকে অর্পিতা ঘোষকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। দক্ষিণ দিনাজপুরে সভাপতি গৌতম দাস।এছাড়া নদিয়ায় জেলা সভাপতি করা হয়েছে সাংসদ মহুয়া মৈত্রকে। কোচবিহারে তৃণমূল সভাপতি হলেন পার্থপ্রতিম রায়। এছাড়া ছত্রধর মাহাতোকে নিয়ে আসা হয়েছে তৃণমূলের রাজ্য কমিটিতে।

পপ্রশ্ন অনেক: নবম পর্ব

Tree-bute: আমফানের তাণ্ডবের পর কলকাতা শহরে শতাধিক গাছ বাঁচাল যারা