স্টাফ রিপোর্টার, হাওড়া: মেয়ের শ্লীলতাহানি রুখতে গিয়ে মৃত্যু মায়ের। ঘটনায় অভিযুক্ত তৃণমূলের এক স্থানীয় নেতা।এই অভিযোগকে ঘিরেই জাতীয় সড়ক অবরোধ করেন ক্ষুব্ধ জনতা। গ্রেফতারের দাবিতে বিক্ষোভ দেখান বিজেপির দুই সংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায় ও সৌমিত্র খাঁ। পরে অভিযুক্ত কুশ বেরাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বাগনানের গোপালপুরের বাসিন্দা ওই কলেজ ছাত্রী।

প্রতিবেশীরা জানিয়েছেন, মঙ্গলবার রাতে। ওই কলেজছাত্রীর ফোনের নেটওয়ার্কের সমস্যা হচ্ছিল। তাই বাধ্য হয়ে বাড়ির ছাদে উঠে যান এক তরুণী। অভিযোগ, কুশ ছাদে উঠে পিছন থেকে ওই ছাত্রীকে জাপটে ধরে শ্লীলতাহানির চেষ্টা করেন। ভয় পেয়ে চিৎকার করে ওঠেন ওই কলেজছাত্রী। তা শুনে তরুণীর মা ছাদে উঠে যান। মেয়ের শ্লীলতাহানিতে বাধা দিতে যান মা।

অভিযোগ, ওই ব্যক্তির সঙ্গে ধস্তাধস্তি হতে শুরু হয় তরুণীর মায়ের। ধাক্কা দেয় ওই ব্যক্তি। ছিটকে সিঁড়ি দিয়ে গড়িয়ে নিচে পড়ে যান তরুণীর মা। মাথায় প্রচণ্ড আঘাত পান তিনি। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে ইতিমধ্যেই ঘটনাস্থল থেকে পালায় ওই ব্যক্তি। রাতেই তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয় বাগনান গ্রামীণ হাসপাতালে। সেখানে তাঁর অবস্থার অবনতি হওয়ায় স্থানান্তরিত করা হয় উলুবেড়িয়া মহকুমা হাসপাতালে। সেখানে বুধবার সকালে মৃত্যু হয়েছে ওই মহিলার। এই খবর ছড়িয়ে পড়তেই এলাকায় বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

তাঁরা থানায় জমায়েত হয়ে অভিযুক্তকে গ্রেফতারের দাবি জানান। স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশের অভিযোগ, অভিযুক্ত শাসক দলের নেতা হওয়ায় পুলিশ প্রথমে গড়িমসি করে। পরে বিক্ষোভে শামিল হন বিজেপি সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায় এবং সৌমিত্র খাঁ। লকেট ওই ছাত্রীকে নিয়ে বাগনান থানায় যান।

সেখানে লকেট বলেন, ‘‘গোটা দিন কেটে গেল তার পরেও অভিযুক্তকে গ্রেফতার করতে পারল না পুলিশ। অথচ অভিযুক্ত পরিচিত। পুলিশ যদি ব্যবস্থা না নেয় তা হলে আমরা বড় আন্দোলনের পথে যাব।”

অন্য দিকে, সাংসদ সৌমিত্র খাঁ বিজেপি কর্মী সমর্থকদের নিয়ে বাগনানের খাদিনান মোড়ে অবরোধ করেন। প্রায় ৩০ মিনিট অবরুদ্ধ থাকে ৬ নম্বর জাতীয় সড়ক। পুলিশ দ্রুত অভিযুক্তকে গ্রেফতারেরের আশ্বাস দিলে তবে অবরোধ ওঠে। এরপরই এ দিন বিকেলে গ্রেফতার করা হয় অভিযুক্ত কুশকে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।