হাওড়া: প্রকাশ্যে শুট আউট! খুন হলেন তৃণমূল কংগ্রেসের এক সক্রিয় কর্মী। মৃতের নাম ধর্মেন্দ্র সিং বলে জানা যাচ্ছে। মঙ্গলবার বিকেল নাগাদ তিনি যখন বাইকে আসছিলেন সে সময় শালিমার তিন নম্বর গেটের কাছে প্রকাশ্য দিবালোকে ঘটনাটি ঘটে। জানা যায়, পিছন থেকে বাইকে করে এসে তাঁকে লক্ষ্য করে দুষ্কৃতিরা গুলি চালায় বলে অভিযোগ।

ঘটনার পরেই ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায় দুষ্কৃতীরা। রাস্তাতেই রক্তাক্ত অবস্থায় লুটিয়ে পড়েন তিনি। এরপর আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাঁকে আন্দুল রোডের একটি বেসরকারি হাসপাতালে আনা হয়। সেখানেই তাঁর মৃত্যু হয় বলে জানা যাচ্ছে।

হাওড়া জেলা সদর তৃণমূল কংগ্রেসের চেয়ারম্যান তথা মন্ত্রী অরূপ রায় বলেন, “ধর্মেন্দ্র বিভিন্ন সামাজিক কাজে যুক্ত ছিলেন। সামাজিক কাজ এবং জনসেবা করে খুব অল্প সময়ের মধ্যে এলাকায় প্রভাব তৈরি হয়েছিল তাঁর। অতীতে ধর্মেন্দ্রর ব্যাকগ্রাউন্ড ভালো না থাকলেও, বর্তমানে তিনি সামাজিক কাজে যুক্ত ছিলেন। বিপদে মানুষকে সেবা করতে এগিয়ে যেতেন। করোনা এবং আমফান পরিস্থিতিতে উনি সামাজিক কাজ করে এলাকায় প্রভাব তৈরি করেছিলেন। এই ঘটনায় বিরোধীদের হাত থাকতে পারে। পুলিশ ঘটনার তদন্ত করছে।”

ঘটনায় প্রকাশ, এদিন বিকেল চারটে নাগাদ ঘটনাটি ঘটে। ধর্মেন্দ্র সিং এক সঙ্গীকে নিয়ে বাইকে আসছিলেন। সেই সময়ে ব্রিজে ওঠার মুখে পিছন থেকে আসা দুটি বাইকে দুষ্কৃতীরা আসে।

ধর্মেন্দ্র সিংকে লক্ষ্য করে পরপর গুলি চালায় দুষ্কৃতিরা। এরপর দ্রুত বাইকে করে ব্রিজের উপর উঠে পালিয়ে যায় চম্পট দেয় তারা।

এই ঘটনার পর এলাকায় উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। এই অবস্থা দেখে দ্রুত ছুটে আসেন এলাকার বাসিন্দারা। তাঁকে হাওড়া আন্দুল এর একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তাঁর মৃত্যু হয়।

জানা গিয়েছে, তিনি তৃণমূল কংগ্রেসের সক্রিয় কর্মী ছিলেন। জানা গেছে, তিনি দক্ষিণ হাওড়ার অন্তর্গত ৩৯ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল যুব কংগ্রেস কর্মী ছিলেন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.