হাওড়া : করোনা আবহের মধ্যেই কয়েকমাস আগেই বিহারে বিধানসভা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। তা অনুসরণ করেই স্বাস্থ্যবিধি মেনে বঙ্গে বিধানসভা ভোট পরিচালনায় বদ্ধপরিকর নির্বাচন কমিশন। ইতিমধ্যেই করোনার কথা মাথায় রেখে বেশ কিছু পদক্ষেপ নিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

অন্যান্য জেলার মতো হাওড়া জেলাতেও এবার বাড়ানো হচ্ছে বুথের সংখ্যা। জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, করোনা পরিস্থিতিতে সুষ্ঠুভাবে নির্বাচন পরিচালনা করতে এবার হাওড়া জেলায় ১২০০ বুথ বেশি হচ্ছে। এর পাশাপাশি, প্রায় ১৬৮ টি অস্থায়ী ভোটগ্রহণ কেন্দ্র তৈরি হচ্ছে। এবার কোনও বিল্ডিংয়ের দ্বিতীয় তলায় কোনো ভোটগ্রহণ কেন্দ্র করা যাবেনা স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। আর তারই জেরে সারা জেলায় মোট ১৬৮ টি অস্থায়ী ভোটগ্রহণ কেন্দ্র তৈরি হচ্ছে।

এগুলি প্লাইউড ও টিন দিয়ে রাজ্য পূর্ত বিভাগ তৈরি করবে বলে জানা গেছে। সূত্রের খবর, হাওড়া পুলিশ কমিশনারেটের বেশ কিছু এলাকা খুব ঘিঞ্জি। তা-ই সেখানে স্কুলের দ্বি-তলেও ভোটগ্রহণ কেন্দ্র করা হত। কিন্তু তা এবার হবে না। তাই হাওড়া পুলিশ কমিশনারেট এলাকায় মোট ১৪৮ টি অস্থায়ী ভোটগ্রহণ কেন্দ্র তৈরি করা হচ্ছে। অন্যদিকে, হাওড়া গ্রামীণ জেলা পুলিশের এলাকায় ২০ টি অস্থায়ী বুথ তৈরি করা হচ্ছে বলে জানা গেছে। উল্লেখ্য, হাওড়া জেলাত এবার মোট ৫৫৫৬ টি ভোটকেন্দ্র রয়েছে। এরমধ্যে শহরে ২৬১২ টি ও গ্রামীণে ২৯৪৪ টি ভোটকেন্দ্র রয়েছে।

হাওড়া জেলায় মোট দু’দফায় ভোট পর্ব অনুষ্ঠিত হবে। এবার জেলায় মোট ৫৫৫৬ টি ভোটকেন্দ্র থাকছে। তারমধ্যে ৪৯৪ টি বুথকে স্পর্শকাতর বলে ঘোষণা করল জেলা প্রশাসন। সূত্রের খবর, পুলিশ, প্রশাসন ও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিদের সাথে কথা বলেই প্রাথমিকভাবে স্পর্শকাতর বুথের তালিকা তৈরি করা হয়েছে। তা ইতিমধ্যেই নির্বাচন কমিশনের কাছে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। জানা গেছে, ৪৯৪ টি স্পর্শকাতর বুথের মধ্যে অধিকাংশই গ্রামীণ হাওড়ার। হাওড়া গ্রামীণ এলাকায় ৩৯৯ টি ও হাওড়া পুলিশ কমিশনারেটের এলাকায় ৯৫ টি স্পর্শকাতর বুথ রয়েছে বলে জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, নির্বাচন কমিশন এবার বঙ্গে শান্তিপূর্ণ নির্বাচন করাতে কার্যত বদ্ধপরিকর। সেই লক্ষ্যেই সমস্ত দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তাদের মতে, হাওড়া গ্রামীণের পাঁচলা, উদয়নারায়ণপুর, বাগনান, আমতার বেশ কিছু এলাকায় ভোটের সময় অশান্তি লেগেই থাকে। তাই গ্রামীণ এলাকায় স্পর্শকাতর বুথের সংখ্যাটাও অনেকটাই বেশি। ইতিমধ্যেই হাওড়া জেলায় দু’কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী এসেছে। জেলার বিভিন্ন সদর, গ্রামে নিয়মিত রুটমার্চ করছেন কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা। তবে আর কত কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী হাওড়া জেলায় আসবে তা এখনো জানা যায়নি। তবে স্পর্শকাতর বুথগুলিতে যে বেশি সংখ্যায় কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ান, মাইক্রো অবজার্ভাররা থাকবেন তা একপ্রকার নিশ্চিত।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।