ফাইল ছবি

হাওড়া: থোড়াই কেয়ার লকডাউন। হাওড়ার নিশ্চিন্দায় জমজমাট বিয়ের আসর। পাত পেড়ে খেলেন শ’তিনেক আমন্ত্রিত। রবিবার রাতের এই এলাহি বিয়ে নিয়ে এলাকায় কানাঘুঁষো কম হয়নি। অনেকে নাকি আপত্তিও তুলেছিলেন। সেসব আপত্তি ধোপে টেকেনি। তবে শেষমেশ খবর পেয়ে ব্যবস্থা নেয় পুলিশ। বিয়ের শেষে বর ও তাঁর এক আত্মীয়ের বিরুদ্ধে মামলা রুজু করেছে নিশ্চিন্দা থানার পুলিশ।

করোনা আবহে এমনিতেই অনেকে আনন্দানুষ্ঠান এড়িয়ে চলছেন। সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়া থেকে বাঁচতেই এই সচেতনতামূলক সিদ্ধান্ত। তবে এর বাইরেও রয়েছেন অনেকে। যাঁরা সেসবের তোয়াক্কাই করেন না।

করোনা পরিস্থিতিতে যে কোনও সামাজিক অনুষ্ঠানে সর্বোচ্চ ৫০ জনের বেশি জমায়েত নিষিদ্ধ করেছে রাজ্য সরকার। সেই বিধি উপেক্ষা করে হাওড়ার নিশ্চিন্দার কুমিল্যাপাড়ায় বৌভাতের অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত ছিলেন শ’তিনেক।

সামাজিক দূরত্ব বিধি না মেনেই শ’য়ে-শ’য়ে আমন্ত্রিত সারলেন মহাভোজ। পাশাপাশি বসে কব্জি ডুবিয়ে চলল খানাপিনা। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, করোনা আবহে এই এলাহি বিয়ের আয়োজন নিয়ে এলাকার বেশ কিছু বাসিন্দা প্রথমে আপত্তি তুলেছিলেন।

এমনকী বর্তমান পরিস্থিতিতে একসঙ্গে এতজন মানুষ জড়ো হলে এলাকায় করোনার সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কার কথাও জানানো হয় বরের বাড়িতে। স্থানীয়দের সেই আপত্তি কানেই তোলা হয়নি।

তবে স্থানীয় কয়েকজনের একের পর এক অভিযোগ পেয়ে তৎপর হয় নিশ্চিন্দা থানার পুলিশ। রাতেই বিয়েবাড়িতে যায় পুলিশ। বর ও তাঁর এক আত্মীয় ছাড়াও যে অনুষ্ঠানবাড়ি নিয়ে বৌভাতের আয়োজন হয় সেই বাড়িমালিকের বিরুদ্ধেও মামলা রুজু করেছে পুলিশ।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।