হাওড়া: বৃহস্পতিবার লকডাউনের সকালে হাওড়া ব্রিজ দিয়ে পায়ে হেঁটে কলকাতার দিকে যাচ্ছিল কয়েকটি যাযাবর পরিবার৷ পুলিশের ‘বাধা’ পেয়ে তারা ‘আশ্রয়’ নিলেন হাওড়া ব্রিজে ওপর৷ পরে পুলিশ তাদের অন্যত্র সরিয়ে নিয়ে যায়৷

জানা গিয়েছে, বিহার থেকে আসা বেশ কয়েকটি যাযাবর পরিবার লকডাউন থেকেই এরাজ্যে আটকে পড়েছেন৷ এরা কার্যত সুন্দরবনে মধু সংগ্রহের কাজে এসেছিলেন৷ সেখান থেকে কলকাতায় ফিরে এসে লকডাউনের জেরে আটকে পড়েন৷

তারপর শিশু ও মহিলা সহ প্রায় একশত যাযাবর মানুষ হাওড়া ব্রিজের নিচে ঋষি বঙ্কিম চন্দ্র রোড সাবওয়ের কাছে এরা আশ্রয় নিয়েছিলেন৷ লকডাউনে অর্থাৎ বৃহস্পতিবার সকালে সেখান থেকে তাদেরকে সরে যেতে বলে পুলিশ৷ তখন তারা হাওড়া ব্রিজ দিয়ে পায়ে হেঁটে কলকাতার দিকে যাওয়ার চেষ্টা করে৷ কিন্তু তাদের যেতে বাধা দেয় বলে অভিযোগ৷

উপায় না দেখে ওই যাযাবর পরিবারগুলি হাওড়া ব্রিজের ওপরই ‘আশ্রয়’ নেয়৷ প্রবল বৃষ্টির মধ্যেই কোনও রকম মাথায় প্লাস্টিক আর ত্রিপল দিয়ে নিজেদের বৃষ্টির হাত থেকে রক্ষা করার চেষ্টা করেন৷ কিন্তু প্রবল বৃষ্টির মধ্যে নাজেহাল অবস্থা হয় তাদের৷ বিশেষত করে শিশু ও মহিলারা বৃষ্টিতে অসহায় অবস্থার মধ্যে পড়েন৷

এদিকে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসে বিশাল পুলিশ বাহিনী৷ তারা ওই যাযাবর পরিবারগুলিকে হাওড়া ব্রিজের ওপর থেকে অন্যত্র সরিয়ে নিয়ে যান৷ তবে বৃহস্পতিবার যেভাবে হাওড়া ব্রিজের ওপর যাযাবর পরিবারগুলি আশ্রয় নিয়েছিল,তাতে লকডাউন বলে কোন অসুবিধা হয়নি৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।