হাওড়া: পুরসভার অস্থায়ী কর্মীরা বেতন না পাওয়ার বিষয়টি রাজ্য সরকারের বিবেচনাধীন বলে জানালেন হাওড়া পুর কমিশনার। গত পাঁচ মাস ধরে বেতন না পাওয়া হাওড়া পুরসভার অস্থায়ী চুক্তিভিত্তিক ৪১৯ জন কর্মচারী বুধবার থেকে পুরসভা চত্বরে অবস্থান বিক্ষোভ শুরু করেছেন। বৃহস্পতিবার তা দ্বিতীয় দিনে পড়ল।

পাঁচ মাসের বেতন এবং চাকরির স্বীকৃতির দাবিতেই চলছে এই আন্দোলন। বৃহস্পতিবার বিকেলে বিক্ষোভরত অস্থায়ী কর্মীরা সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন। তারা জানান, মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রীর কাছে তাঁদের আবেদন সরকার যেন এই স্পর্শকাতর বিষয়টি সহানুভূতির সঙ্গে বিবেচনা করেন। ৪১৯ জন চুক্তিভিত্তিক অস্থায়ী কর্মচারী গত সাড়ে পাঁচ মাস ধরে নিয়মিত কাজ করে যাচ্ছেন। অথচ তাদের বেতন দেওয়া হচ্ছে না।

এতজন কর্মী এবং তাদের পরিবার চরম পরিস্থিতির মুখে দাঁড়িয়ে রয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণের মুখাপেক্ষী তাঁরা। এই প্রসঙ্গে হাওড়া পুর কমিশনার বিজিন কৃষ্ণা বলেন, অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহে রাজ্য সরকারের পূর্ত দফতরের পক্ষ থেকে নিয়োগ সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়। সেখানে বলা হয় অর্থনৈতিক সমস্যার কারণে কয়েকটি আরবান বডি বিপুল সংখ্যায় কর্মী নিয়োগ করতে পারবে না।

এরমধ্যে হাওড়া পুরসভাও আছে। এই নিয়োগ হয় সরকারি বিজ্ঞপ্তি জারি করার পর। তবে এই বিষয়ে রিপোর্ট জমা দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি রাজ্য সরকারের বিবেচনাধীন। রাজ্য সরকারের তরফ থেকে এখনও কিছু নির্দেশ আসেনি। রাজ্য সরকার যা সিদ্ধান্ত নেবে জানিয়ে দেওয়া হবে। এদিকে, হাওড়া পুর কর্মচারী সমিতির কার্যকরী সভাপতি গুরুচরণ চট্টোপাধ্যায় বলেন, এদের বিষয়টি সরকার দেখছে। আশা করা যাচ্ছে খুব শীঘ্রই সদর্থক সিদ্ধান্ত জানানো হবে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।