স্টাফ রিপোর্টার, হাওড়া: গ্রীষ্মকাল শুরু হতেই হতেই পানীয় জলের সমস্যা দেখা দিয়েছে গ্রামীণ হাওড়ার আমতা-১ ব্লকের রসপুর এলাকায়। জানা গেছে, এলাকায় নলবাহিত পানীয় জলের ব্যবস্থা এখনো অবধি নেই। অন্যদিকে, বিকল হয়ে যাচ্ছে একের পর এক টিউবওয়েল। আর এতেই চরম সমস্যার সম্মুখীন হয়েছেন রসপুর এলাকার বহু মানুষ।

পানীয় জলের এই সমস্যার কথা স্বীকার করে নিয়েছে স্থানীয় পঞ্চায়েত কর্তৃপক্ষও। রসপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের উপ-প্রধান জয়ন্ত পোল্ল্যে জানান, ‘রসপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের ১২ টি গ্রাম সংসদ এলাকায় প্রায় ১৩০ টি টিউবওয়েল রয়েছে। কিন্তু, অগ্রহায়ণ মাসের পর থেকে সেভাবে বৃষ্টি না হওয়ায় জলস্তর অনেকটা নেমে গিয়েছে। এর ফলে জল পেতে বেশ কিছুটা সমস্যায় পড়ছেন এলাকার মানুষ।’ তিনি আরও জানান, ‘পঞ্চায়েতের তরফে বিভিন্ন পাড়ায় পাড়ায় মিস্ত্রী পাঠিয়ে সমস্যা সমাধানের চেষ্টা চালানো হচ্ছে।’

এলাকার মানুষের অভিযোগ, এলাকায় নলবাহিত জলের ব্যবস্থা না থাকায় ভরা গ্রীষ্মে পানীয় জল পেতে খুব সমস্যা হচ্ছে। তাঁদের দাবি, অবিলম্বে সুগভীর নলকূপ ও নলবাহিত জলের ব্যবস্থা করুক প্রশাসন।

করোনা সমস্যাও হাওড়ায় বেশ প্রকট হয়ে উঠেছে। প্রতিদিনই হাওড়া শহরে বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। পুর এলাকার শিবপুরে সংক্রমণের লেখচিত্র বেশি ঊর্ধ্বমুখী। এমনই জানাচ্ছে হাওড়া পুরসভা। এ বার তাই এলাকার বহুতল আবাসন এবং বস্তিগুলিতে জরুরি ভিত্তিতে করোনা পরীক্ষার শিবির করার চিন্তাভাবনা শুরু করেছে পুরসভা।

৪ এপ্রিল, রবিবার রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের প্রকাশিত বুলেটিন অনুযায়ী, এখানে করোনায় সংক্রমিত হয়েছিলেন ১৭৪ জন। এখন তা ৫০০ ছাড়িয়ে গিয়েছে। মানুষকে সতর্ক করতে ইতিমধ্যেই মাইকিং করে কোভিড-বিধি মেনে চলতে ও প্রতিষেধক নিতে আবেদন করা হচ্ছে।

করোনার দ্বিতীয় ঢেউ সম্পর্কে সাধারণ মানুষকে সচেতনতার বার্তা দিতে সোশ্যাল মিডিয়াকে হাতিয়ার করে লাগাতার প্রচার চালাচ্ছে আমতার অন্যতম স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘স্বপ্ন দেখার উজান গাঙ’। তাঁদের পক্ষ থেকে মাস্ক, স্যানিটাইজার ব্যবহার, পারস্পরিক দূরত্ব মেনে চলার আর্জি জানিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় বারেবারে পোস্ট করা হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে।

‘নো মাস্ক, নো পেট্রোল’ এই নিয়ম চালু হয়েছে আমতা-২ ব্লকের বিভিন্ন পেট্রোল পাম্পগুলিতে। অন্যদিকে, প্রশাসনের পক্ষ থেকে বাজার, দোকান, বাসস্ট্যান্ড সহ বিভিন্ন জায়গায় জোরকদমে স্যানিটাইজেশনের কাজ চলছে। মঙ্গলবার সকালে বাগনান স্টেশনে ট্রেনযাত্রীদের মাস্ক ব্যবহারের আর্জি জানিয়ে প্রচারে নামেন দক্ষিণ-পূর্ব রেলওয়ে (হাওড়া-জকপুর) প্যাসেঞ্জার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের সদস্যরা।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.