স্টাফ রিপোর্টার: হাওড়ায় অনুষ্ঠিত হতে চলেছে ৭২ তম সন্তোষ ট্রফির গ্রুপ পর্যায়ের বেশ কিছু ম্যাচ৷ জেলা ক্রীড়া সংস্থার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে জাতীয় স্তরের ফুটবল প্রতিযোগিতাটির গ্রুপ পর্যায়ের ১০ টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে শৈলেন মান্না স্টেডিয়ামে৷

আগের বছর ১-০ গোলে গোয়াকে হারিয়ে সন্তোষ ট্রফি জিতে নিয়েছিল বাংলা৷ হাওড়া জেলা ক্রীড়া সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, এই প্রথম হাওড়া এই টুর্নামেন্টের কয়েকটি ম্যাচের দায়িত্ব পেয়েছে। ম্যাচগুলি হবে হাওড়া পুরসভার শৈলেন মান্না স্টেডিয়ামে। সোমবার এখানে গ্রুপ লিগের ম্যাচে অংশ নেবে বাংলা ও মণিপুর। ৭২ তম সন্তোষ ট্রফিতে গ্রুপ পর্যায়ের ১০টি ম্যাচ হবে হাওড়ায়। বাকি খেলাগুলি রবীন্দ্র সরোবর সহ অন্যান্য মাঠে অনুষ্ঠিত হবে। ফাইনাল হবে যুবভারতী স্টেডিয়ামে।

সন্তোষ ট্রফি টুর্নামেন্টে অংশ নিচ্ছে বাংলা, ওড়িশা, কর্ণাটক, কেরল, গোয়া, মিজোরাম, পঞ্জাব, মহারাষ্ট্র, মণিপুর, চন্ডীগড় মত দল। হাওড়া জেলা ক্রীড়া সংস্থার কার্যকরী সভাপতি তথা পুরসভার মেয়র পারিষদ শ্যামল মিত্র বলেন, ‘সোমবার হাওড়ায় বাংলা – মণিপুর ম্যাচের আগে আমরা দু’টি দলকেই উষ্ণ সম্বর্ধনা দেব।’

টিম বাস থেকে নেমে খেলোয়াড়রা সবুজ কার্পেট বিছানো পথ ধরে স্টেডিয়ামে প্রবেশ করবেন। প্রথম দিনের ওই ম্যাচ শুরুর আগে মাঠে খেলোয়াড়দের শুভেচ্ছা জানাতে উপস্থিত থাকবেন প্রাক্তন দিকপাল ফুটবল নক্ষত্ররা। দুই মন্ত্রী অরূপ রায় এবং লক্ষ্মীরতন শুক্লও উপস্থিত থাকবেন । জেলাশাসক চৈতালি চক্রবর্তী, পুলিশ কমিশনার দেবেন্দ্র প্রকাশ সিং, মেয়র ডা: রথীন চক্রবর্তী, হাওড়া জেলা ক্রীড়া সংস্থার ফুটবল সচিব রঘু নন্দী, সাধারণ সম্পাদক সীতাংশু দাস প্রমুখ উপস্থিত থাকবেন।

এই টুর্নামেন্ট ঘিরে এখন পুরসভার শৈলেন মান্না স্টেডিয়ামে সাজো সাজো রব। হোর্ডিং, ব্যানারে শহর জুড়ে প্রচার করা হয়েছে। সব ম্যাচ দর্শকদের জন্য ফ্রি-তে দেখার বন্দোবস্ত করা হয়েছে। প্রায় দশ হাজারের বেশি দর্শক মাঠে উপস্থিত থাকবেন। খেলার প্রস্তুতি প্রায় চূড়ান্ত। জাতীয় পর্যায়ের টুর্নামেন্ট আয়োজন করার জন্য যা যা পরিকাঠামোর প্রয়োজন সবই থাকছে এখানে। এদিকে, এবিষয়ে শৈলেন মান্না স্টেডিয়ামের দায়িত্বপ্রাপ্ত কাউন্সিলর ত্রিলোকেশ মন্ডল বলেন, ‘সন্তোষ ট্রফির মতো জাতীয় টুর্নামেন্টে কলকাতার পাশাপাশি ম্যাচ আয়োজন করার দায়িত্ব পেয়ে আমরা খুশি। এই প্রথম এই টুর্নামেন্টের মূল পর্বের খেলা হচ্ছে এখানে। এটা আমাদের কাছে গর্বের।’