স্টাফ রিপোর্টার, হাওড়া: দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জায়গায় মুষলধারে বৃষ্টি শুরু হয়েছে। তারই মাঝে বিভিন্ন জায়গা থেকে একাধিক দুর্ঘটনার খবর মিলতে শুরু করেছে। বৃহস্পতিবার বৃষ্টির জমা জলে বিদ্যুতের তার পড়ে থাকার সময়ে এক মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মৃত্যু হল দু’জনের। ঘটনাটি ঘটেছে হাওড়ার বোটানিক্যাল গার্ডেনের ফার্স্ট গেটের কাছে। একটি লাইটপোষ্টের খোলা তার জমা জলে পড়ে থাকায় এই বিপত্তি।

সূত্রের খবর,আজ দুপুর নাগাদ বছর কুড়ি-বাইশের দু’ই যুবক অসাবধানবশত একটি বিদ্যুতের খুঁটিতে হাত দেন।তখনই ওই দু’জন বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন।ঘটনাস্থলেই তাদের মৃত্যু হয়।জানা গেছে,মৃতদের নাম সুমন শর্মা ও শ্রীকান্ত দাস।ঘটনার পরই সিইএসসির তরফে এলাকায় বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয়।খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে আসে শিবপুর থানার পুলিশ।

একই দিনে আলিপুর চিড়িয়াখানায় বিদ্যুত্স্পৃষ্ট হয়ে মৃত্যু হয় দু’জনের। মর্মান্তিক এই দুর্ঘটনায় আশঙ্কাজনক ছিলেন আরও একজন। লকডাউনের মধ্যেই বৃহস্পতিবার আলিপুর চিড়িয়াখানায় হোর্ডিং লাগানোর কাজ করছিলেন বেসরকারি সংস্থার কর্মীরা। কোনওভাবে সেই কাজ করতে গিয়েই বিদ্যুতের তারের সংস্পর্শে এসে যান তিনজন। যার জেরেই মর্মান্তিক এই দুর্ঘটনা ঘটেছে।

বৃহস্পতিবার সকাল থেকে ওই কাজ শুরু হয়। জানা গিয়েছে, তিন কিশোরকে দিয়ে হোর্ডিং লাগানোর কাজ করছিল ওই বেসরকারি সংস্থা। এদিন কোনওভাবে সেই কাজ করতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয় তিন কিশোর। ঘটনাস্থলেই বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মৃত্যু হয় দুই কিশোরের। আশঙ্কাজনক অবস্থায় আরও এক কিশোরকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এদিকে, লকডাউন থাকা সত্ত্বেও কীভাবে চিড়িয়াখানায় কাজ চলল তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।