রান্নার স্বাদ ছাড়াও আপনার সৌন্দর্য্য বাড়িয়ে তুলতে উপকারী তেজপাতা,রান্নায় তেজপাতা দেওয়া মানে তার স্বাদ একেবারে বদলে যায়৷ সামান্য রান্নাও সুস্বাদু করে তোলার ক্ষমতা রাখে তেজপাতা৷ তবে এখন যদি বলি তেজপাতার গুণাগুণ আপনার ত্বক এবং চুলের জন্যও উপকারী? আজ্ঞে হ্যা!  চুলের খুসকি থেকে উকুন, ব্রুণ সবেতে মক্ষোম হল এই তেজপাতা৷

ব্রুণ দূর করতে এবং কমাতে সাহায্য করে তেজপাতা৷ ৮-১০ টি তেজপাতা গুঁড়ো করে জলের সঙ্গে ভালো করে মিশিয়ে নিন৷ গ্যাসে কম আঁচে ১০ মিনিট ফুটিয়ে নিন মিশ্রণটি৷ একটি জায়গায় ঢেকে রেখে দিন৷ তারপর ঠান্ডা হওয়া অবধি অপেক্ষা করুন৷ ভালো করে ঠান্ডা হওয়া মিশ্রণটি ছেঁকে নিয়ে মুখে লাগান৷ রেখে দেবেন না৷ জল দিয়ে মুখ পরিষ্কার করার মতোই এই জলটি দিয়ে ধুয়ে নিন৷ এক সপ্তাহ এই পদ্ধতিতে মুখ দেওয়ার পরই দেখবেন মুখ পরিষ্কারও হয়েছে এবং ব্রুণের সমস্যাও কমেছে৷

দাঁতের সাদাভাব ফিরিয়ে আনতে উপযোগী হল যে পেস্ট আপনি ব্যবহার করেন তার সঙ্গে তেজপাতার গুঁড়ো অল্প করে মিশিয়ে নিন৷ এতে আপনার দাঁতের হলদে ভাব দূর হবে৷ অতি লজ্জ্বার ব্যাপার হল উকুন৷ মাথায় উকুন থাকলে সমস্যা তো বটেই লজ্জ্বাও বটে৷ আগের পদ্ধতির মতোই রসটি তৈরি করে মাথার তালুতে ভালো করে মাসাজ করুন৷ ২-৩ ঘন্টা পর ধুয়ে ফেলুন৷ দেখবেন দুইদিনের মধ্যেই উকুন সেরে গিয়েছে৷

উকুনের পাশাপাশি খুশকিও একই রকম ভাবে লজ্জ্বাজনক৷ তেজপাতা গুঁড়ো করে টকদইয়ের সঙ্গে মিশিয়ে নিন৷ একটি পেস্ট তৈরি হলে সেই পেস্ট চুলে ভালো করে লাগিয়ে নিন৷ স্ক্যাল্প পর্যন্ত যাতে পেস্টটি পৌঁছয়৷ কিছুক্ষণ পর শ্যাম্পু করে নিন ভালো করে৷ এক সপ্তাহ করার পরই খুশকি দূর হয়ে যাবে৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।