মেয়েদের সাজগোজের একটি বড়ো অংশ হল নেলপলিশ৷ এমন কোনও মহিলা নেই যে নেলপলিশ পছন্দ করেন না৷ লাল থেকে নীল কালো সবই মেয়েদের ফেভারিট রঙের লিস্টে৷ দোকানে দোকানে নেলপলিশ দেখলেই দাঁড়িয়ে যায় মেয়েরা৷ একের পর এক শেডস দেখতে শুরু করলে দোকান থেকে নড়াই মুশকিল৷ কিন্তু অনেকের পক্ষেই ঘন ঘন নেলপলিশ চেঞ্জ করা হয় না৷ কাজের ব্যস্ততার মাঝে বারবার তুলোয় রিমোভার লাগিয়ে পুরনো রঙ তুলে নতুন নেলপলিশ পড়া বেশ ঝক্কির৷ অন্যদিকে রিমোভার শেষ হয়ে গেলেও আর কিছু করার থাকে না৷

রিমোভার শেষ হয়ে গেলে যে আপনি নেলপলিশ তুলতে পারবেন না এমনটা নয়৷ নানা রকমের উপায় আছে নেলপলিশ তোলার৷

নখের ওপর সরাসরি ডিওডরেন্ট স্প্রে করে দিন৷ তারপর তুলো দিয়ে ঘষে তুলে নিন৷ একবারে রিমোভারের মতোই উঠে গিয়েছে৷ একবার স্প্রে করে না উঠলে দ্বিতীয় বার করতে পারেন৷ কিন্তু ডিওড্রেন্ট শুকনোর আগেই তুলে ফেলুন৷

ডিওড্রেন্টের মতই অন্যান্য পারফিউমও ব্যবহার করতে পারেন ডিওড্রেন্টের বদলে৷ তবে পারফিউমটা তুলোয় ঢেলে নিয়ে তবে ব্যবহার করুন৷

নেলপলিশ তুলতে টুথপেস্টও খুব কার্যকরী৷ মিন্ট দেওয়া টুথপেস্ট ব্যবহার করলে আরও ভালো৷ পুরনো একটি টুথব্রাশে অল্প টুথপেস্ট নিয়ে নখের উপর ঘষতে থাকুন৷ দেখবেন একেবারে নেলপলিশ উঠে গিয়েছে৷ তারপর নখটা ভালো করে ধুয়ে ফেলুন জল দিয়ে৷

হ্যান্ড স্যানিটাইজারও রিমোভারের ভালো কাজ করে৷ অথবা যেকোনও লিকুইড স্যানিটাইজার৷ এমনকি রিমোভারের চেয়ে দ্রুত কাজ করবে৷

হার্ডস্প্রে অথবা হেয়ারস্প্রেও নেলপলিশ তোলার কাজে ব্যবহার করতে পারেন৷ ডিওড্রেন্টের মতোই নখে স্প্রে করে ঘষে ফেলুন৷ পাতলা কাপড় বা তুলো কিংবা টিস্যু দিয়ে তুলে ফেলুন৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।