কলকাতা: চিকিৎসার জন্য এখন বাংলা থেকে অনেকেই পাড়ি দেন দক্ষিণ ভারতে৷ এক্ষেত্রে সবচেয়ে  পরিচিত নাম হল ভেলোরের সিএমসি হাসপাতাল (ক্রিস্টান মেডিক্যাল কলেজ অ্যান্ড হসপিটাল)। খ্রিস্টান মিশনারি দ্বারা পরিচালিত একটি অলাভজনক প্রতিষ্ঠান৷

ফলে দেখা যায় এখানে হাসপাতালে জটিল অপারেশন করতে যে খরচ হয়, তা দিয়ে ভেলোরে যাওয়া আসা থাকা-খাওয়া এবং চিকিৎসার কাজ পুরোটা সেরে ফেলা যাবে। দক্ষিণ ভারতের রাজ্য তামিলনাডুতে অবস্থিত ভেলোর শহরটি৷রাজ্যের রাজধানী চেন্নাই থেকে ভেলোর ১৩৩ কিলোমিটার দূরে

আরও পড়ুন: ছেলেদের বিয়ের সঠিক বয়স কত জানেন? সমীক্ষায় উঠে এল ভয়াবহ তথ্য

যাবেন কেমন করে?

সরাসরি বিমানে কলকাতা থেকে চেন্নাই পৌঁছে যেতে পারেন। অথবা কলকাতা থেকে ট্রেন চড়ে পৌছে যান চেন্নাই  ৷চেন্নাই থেকে ভেলোর যাওয়ার জন্য সাধারণ মানের পাশাপাশি ভলবো বাসও রয়েছে ৷

বাস ছাড়াও চেন্নাই বিমানবন্দর এবং রেল স্টেশন থেকে ভেলোর যাওয়ার জন্য প্রি-পেড ট্যাক্সির ব্যবস্থাও আছে৷ ভেলোরের নিকটবর্তী স্টেশন হল কাটপাটি সেখানে নেমে সরাসরি অটোয় চড়ে পৌছে যাবেন সিএমসি হাসপাতাল৷

চেন্নাই থেকে কাটপাটি স্টেশনের দূরত্ব ১০৮ কিলোমিটার ট্রেনে সময় নেমে প্রায় আড়াই ঘন্টা৷চেন্নাই থেকে বাসে ভেলোর পৌছেতে সময় লাগে সাড়ে তিন ঘন্টা এবং ট্যাক্সিতে ঘন্টা তিনেক৷

আরও পড়ুন: সুখি হতে স্বামী-স্ত্রীর বয়সের পার্থক্য কত হওয়া উচিৎ?

থাকা খাওয়ার ব্যবস্থা

ভেলোর পৌছলে সিএমসির আশপাশে রয়েছে  অসংখ্য হোটেল ও লজ ।  লজগুলোতে নিজে রান্না করে থাকারও  সুবিধা আছে এবং সেগুলির ভাড়াও তুলনায় কম।এখানকার হোটেলে যখনই আসুক না কেন চেক আউটের সময় ২৪ ঘন্টা ৷

হাসপাতাল অঞ্চলে এমন অনেক হোটেলই পাবেন যেখানে একেবারে বাঙালির ভাত ডাল মাছের ঝোলও মিলবে৷ বাংলায় কথা বলতে  পারবেন ঠিকই তবে হিন্দি অথবা ইংরেজিতে কথা বলতে না জানলে অ্যাটেনডেন্ট হিসেবে হিন্দি বা ইংরেজিতে কথা বলতে পারে এমন কাউকে সঙ্গে নিয়ে যাবেন।

আরও পড়ুন: মাত্র ১০ মিনিট পোড়ান তেজপাতা! আর সত্যিই ম্যাজিক দেখুন

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।