Sikkim

গ্যাংটকঃ অনেকের মনেই এই প্রশ্ন টা জেগে ওঠে যে কীভাবে পৌঁছানো যায় সিকিমে? সিকিমে পৌঁছনো খুব একটা কঠিন নয় কারণ আমাদের দেশের সব গুরত্বপূর্ণ জায়গার সঙ্গে সিকিমের যোগাযোগের অনেক মাধ্যম রয়েছে। ছবির মত সুন্দর বিভিন্ন গন্তব্য, রূপে সম্বৃদ্ধ বিভিন্ন উপত্যকা, রঙিন মন্টাসেরি, পাহাড়, নির্জন স্থান সব কিছুর মিশেলে দীর্ঘকাল ধরেই সিকিম পর্যটক মনে দাগ কেটেছে। ভারত ও পৃথিবী ব্যাপী বহু পর্যটক সৌন্দর্য উপভোগ করতে ও নির্জনে নিভৃতে কয়েকটা দিন কাটাতে সিকিমে আসেন।

সিকিমের রাজধানী গ্যাংটক ও ভ্রমণ কেন্দ্র রূপে বিখ্যাত। গ্যাংটক এর এম জি মার্গ, রুমটেক মন্টাসারি, এঞ্চি মন্তাসারি, গণেশ টক, নথুলা লেক ইত্যাদি বিখ্যাত। প্যাকং এয়ারপোর্ট চালু হলেও এখনো সব যায়গা থেকে এইখানে বিমান পরিষেবা চালু হয়নি। তাই নিকটতম এয়ারপোর্ট হিসেবে পশ্চিমবঙ্গের বাগডোগরা এয়ারপোর্ট ব্যবহৃত হয়। যা সিকিম থেকে ১২৫ কিমি দূরে অবস্থিত ও সিকিমের নিকটতম রেল স্টেশন নিউ জলপাইগুড়ি যা সিকিম থেকে ১২০ কিমি দূরে। এবার কীভাবে সিকিম যাওয়া যায় দেখেনিন।

প্লেনে সিকিম : সিকিম থেকে বাগডোগরা এয়ারপোর্টের দূরত্ব ১২৫ কিমি। ইন্ডিগো, এয়ার ইন্ডিয়া, জেট এয়ারওয়েজ, এয়ার এশিয়া, গো এয়ার ও স্পাইসজেট এর নিয়মিত দিল্লি , চেন্নাই, বেঙ্গালুরু, গুয়াহাটি, কলকাতা থেকে বিমান পরিষেবা মেলে। এয়ারপোর্টের বাইরে থেকে গাড়ি বুক করে ৫ ঘন্টায় পৌঁছে যাওয়া যায় সিকিমের গ্যাংটক।

সড়ক পথে সিকিম: সিকিমের রাজধানী গ্যাংটক এর সাথে পশ্চিমবঙ্গের দার্জিলিং (darjeeling) থেকে ৯৬ কিমি, শিলিগুড়ি (siliguri) থেকে ১১৮ কিমি, কালিম্পং (kalimpong) থেকে দূরত্ব ৭৫ কিমি খুব সহজেই যাওয়া যায়। শিলিগুড়ি, দার্জিলিং, কালিম্পং, কর্শিয়াং থেকে নিয়মিত সিকিম যাওয়ার জন্য বাস পরিষেবা মেলে। যাত্রা পথের সৌন্দর্য দারুন এবং বাসের ভাড়াও খুব বেশি নয়। এছাড়াও নিউ জলপাইগুড়ি স্টেশন থেকে সিকিম যাওয়ার জন্য গাড়ি মেলে।

ট্রেনে সিকিম: যাঁরা ট্রেনে সিকিম যেতে চান তাদের প্রথমেই যেতে হবে নিউ জলপাইগুড়ি রেল স্টেশন। দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে এই রুটে অনেক ট্রেন চলে। কলকাতা, দিল্লি, মুম্বাই, বেঙ্গালুরু, এবং কোচির মত গুরুত্বপূর্ণ শহর থেকে নিয়মিত নিউ জলপাইগুড়ি যাওয়ার ট্রেন মেলে। রেল স্টেশনের বাইরে থেকে সিকিম যাওয়ার জন্য বাস ও ভাড়ার গাড়ি মেলে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.