সিভিল সার্ভিস পরীক্ষা দেশের অন্যতম সেরা সরকারী চাকরিগুলোর জন্য প্রত্যেকবার নেওয়া হয়। পরীক্ষা পরিচালনা করে ইউনিয়ন পাবলিক সার্ভিস কমিশন বা ইউপিএসসি। প্রত্যেক বছরই লক্ষ লক্ষ পরীক্ষার্থী এই পরীক্ষায় বসেন, কিন্তু তাদের মধ্যে হাতে গোনা কয়েকজন মাত্র সফল হন। পরীক্ষা হয় ৩টি ধাপে। প্রিলিমিনারি, মেইন ও পার্সোনাল ইন্টারভিউ।

সিভিল সার্ভিসের প্রিলিমিনারি পরীক্ষা আর তিন মাস বাকি। যারা দীর্ঘদিন ধরে এই পরীক্ষার প্রস্তুতি নিয়ে আসছে, তাদের জন্য এই ৩ মাস ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ। এতদিন ধরে যা পড়ে এসেছেন সেগুলো পুনরায় রিভিশন দেওয়া খুব প্রয়োজনীয়। আজ রইলো সিভিল সার্ভিস পরীক্ষার্থীদের জন্য রইলো কিছু উপায় যেগুলো মেনে চললে পরীক্ষা উত্তীর্ণ হওয়ার ক্ষেত্রে আপনি কয়েক ধাপ এগিয়ে যাবেন।

১. সিভিল সার্ভিস পরীক্ষা দেওয়ার জন্য অনেকগুলো বিষয় পড়তে হয়। প্রথম মাসে যে বিষয়গুলো আপনি আগে পড়েননি সেগুলোর ওপর জোর দিন। পরীক্ষার সিলেবাস ধরে ধরে সংশ্লিষ্ট বিষয় গুলো পড়ে ফেলুন।

২. টাইম টেবিল বানিয়ে নেওয়া ভীষণ জরুরি। নিজের সুবিধা মত সব বিষয় নিয়ে একটি রুটিন তৈরি করে নিন। যে বিষয়গুলোতে আপনার দুর্বলতা আছে, আপনার তৈরি করা রুটিনে তার জন্য বেশি সময় রাখুন।

৩. সব সময় একটি জিনিস মনে রাখবেন দশটি বই একবার করে পড়ার থেকে একটি বই দশবার পড়া অনেক বেশি ফলপ্রসূ। তাই রিসোর্স বেশি বার করে পড়ুন।

৪. মক টেস্টের ওপর জোর দিন। আপনি যত বেশি করে মক টেস্ট দেবেন নিজের দুর্বলতার জায়গা গুলো তত ভালো করে বুঝতে পারবেন। মক টেস্ট দিলে পরীক্ষার জন্য আপনার প্রস্তুতি কতটা সেই বিষয়ে নিজেই মূল্যায়ন করতে পারবেন। এবং সমস্যার জায়গা গুলো দ্রুত মেরামত করতে পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারবেন।

৫. এই প্রস্তুতি চলাকালীন নিজের খেয়াল রাখাও জরুরি। সুস্থ থাকতে প্রত্যেকদিন সুষম খাদ্য গ্রহণ, পর্যাপ্ত ঘুম ও শরীর চর্চার প্রয়োজন রয়েছে। তাই সেই বিষয়গুলো লক্ষ রাখুন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.