নয়াদিল্লি: সাধারণ মানুষের কাছে প্যান কার্ড এবং আধার কার্ড উভয়েই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আয়কর সহ ব্যাংকের অনেক পরিষেবার ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়ে থাকে এই প্যান কার্ড। তবে আধার কার্ডের সঙ্গে প্যান কার্ডের লিঙ্ক করানো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। কেন্দ্রের তরফে জানানো হয়েছে, আধার কার্ডের সঙ্গে লিঙ্ক করা বাধ্যতামূলক। পাশপাশি এও জানানো হয়েছিল এই কাজ না হলে অসুবিধার মধ্যে পরতে হতে পারে গ্রাহকদের। বাতিল হয়ে যেতে পারে প্যান কার্ড।

এই আধার নম্বরকে unique identification number বলা হয়ে থাকে। uidai এর তরফে ১২ অক্ষরের আধার নম্বর গ্রাহকদের দেওয়া হয়ে থাকে। আর সেখানে প্যান গ্রাহকদের আয়কর দফতরের তরফে দেওয়া হয় ১০ অক্ষরের আলফা নিউমেরিক নম্বর। তবে এই আধার নম্বরের সঙ্গে প্যান লিঙ্ক অত্যন্ত সহজেই ই ফাইলিং পোর্টালের মাধ্যমে করা হয়ে থাকে।

গ্রাহকদের কয়েকটি পদক্ষেপ গ্রহন করতে হবে। প্রাথমিক ভাবে এই কাজের জন্য প্রার্থীদের আয়কর দফতরের ওয়েবসাইটে যেতে হবে। সেখানে গিয়ে গ্রাহকদের নিজেদের প্যান নম্বর দিতে হবে। তার সঙ্গে আধার নম্বর এবং আধার কার্ডে থাকা নাম লিখতে হবে।এছারাও বেশ কিছু তথ্য দিতে হবে।

এরপর গ্রাহকদের লিঙ্ক আধার অপশনে ক্লিক করতে হবে। যদি গ্রাহকেরা দুই কার্ডের মধ্যে লিঙ্ক করিয়ে থাকেন সেক্ষেত্রে তা স্ক্রিনে দেখা যাবে। অন্যথায় লিঙ্ক করা যাবে। অর্থাৎ সহজেই যাতে গ্রাহকদের এই অসুবিধা দূর হয় তার জন্য রয়েছে এই সুবিধা। যেখানে বর্তমান স্ট্যাটাস অর্থাৎ আধার এবং প্যান কার্ড লিঙ্ক হয়েছে কিনা অথবা যদি না হয়ে থাকে সে ক্ষেত্রে কি করণীয় তায় সহজেই জানা যাবে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।