নয়াদিল্লি: আধার কার্ডের সঙ্গে ভোটার কার্ডের লিঙ্কের ক্ষমতা নির্বাচন কমিশনকে দেওয়ার ক্ষেত্রে এক ধাপ এগোল কেন্দ্র। ওই ক্ষমতা নির্বাচন কমিশনের হাতে দিয়ে সাধারণকে স্বস্তি দিতে চাইছে মোদী সরকার।

জানা গিয়েছে নির্বাচন কমিশনের হাতে এই সুবিধা তুলে দিতে গেলে ১৯৫১ সালের জন প্রতিনিধিত্ব আইন সংশোধন করতে হবে। আইন মন্ত্রক সূত্রে জানা গিয়েছে এই বিষয়ে সবুজ সংকেত দিয়েছে কেন্দ্র।

নির্বাচন কমিশনের হাতে এই ক্ষমতা তুলে দিলে খুব সহজেই ভোটার তালিকা তৈরি করা যাবে। পাহাপাশি সহজেই বাদ দেওয়া যাবে ভুয়ো ভোটারদেরও। যারা বাড়ি ছেড়ে দূরে রয়েছেন তাঁরাও ভোট দিতে পারবেন। উপকৃত হবে শ্রমিকরা।

আধার কার্ডের সঙ্গে ভোটার কার্ডের সংযুক্তিকরণের কাজ শুরু হয়েছে ২০১৫ সালে। তবে পরে তা দেশের শীর্ষ আদালতের রায়ে বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। অবশেষে কেন্দ্রের তরফ থেকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়াতে ফের তা শুরু হতে পারে।

এর আগেই আইন মন্ত্রককে পাঠানো চিঠিতে পরিষ্কার জানানো হয়েছিল যে, নির্বাচন কমিটি১৯৫০ সালে তৈরি রিপ্রেসেনটেশন অফ দ্য পিপল অ্যাক্ট-এর সংশোধনী চাইছে। তারা জানিয়েছে, এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হলে নকল এন্ট্রি ও জাল ভোটার সংখ্যা দুই কমানো সম্ভব হবে।

দীর্ঘদিন থেকেই নির্বাচন কমিশন দাবি জানিয়েছিল, আধার কার্ডের সাথে ভোটার আইডি কার্ড সংযোগ বাধ্যতামূলক হলে নাগরিক প্রতারণা আটকানো সম্ভব হবে ও দেশের প্রত্যেক নাগরিকের গণতান্ত্রিক বক্তব্যকে সুরক্ষিত রাখা সম্ভব হবে। একজন নাগরিকের একটাই মতামত তার স্বচ্ছতা যেন রাখা যেন সম্ভব হয়।