আমেরিকান লেখক, উরসুলা কে লে গুইন বলেছিলেন, ‘The creative adult is the child that has survived.’ অন্যদিকে প্রফেসর স্টেনলি গবেষণা করে বলেন, ‘অল্প বয়সে কোনও বিষয় পরিষ্কার করে বোঝার, আত্মস্থ করার এবং সমাধান দেওয়ার ক্ষমতা যে শিশুর যত বেশি, পরবর্তীতে সে তত বেশি সাফল্য পায়। তাই স্বল্প বয়সে বাচ্চার বুদ্ধিকে শান দেওয়ার চেষ্টা করুন।’

এই প্রতিযোগিতার বাজারে বাচ্চাকে প্রথম করার দৌড়ে বাবা-মায়েরা সব সময় নিজের ইচ্ছে বাচ্চার ওপর চাপিয়ে দেন। সে কী করতে চায়, বড় হয়ে কী হতে চায় তা না জেনে নিজের ইচ্ছে মতো বাচ্চাকে বড় করে। এক্ষেত্রে কম বয়সে সব ঠিক থাকলেও পরে সমস্যায় পড়তে হয়। বড়ে হয়ে বাচ্চারা দিগভ্রান্ত হয়ে পড়ে। তাই বাচ্চার সঠিক ভবিষ্যৎ গড়তে চাইলে তার ইচ্ছেকে গুরুত্ব দিন। সে যেদিকে যেতে চায় সেদিকে চালনা করুন। এক্ষেত্রে কয়টি জিনিস মেনে চলতে পারেন। এতে সহজে বাচ্চার সৃজনশীলতার বিকাশ ঘটবে।

১. শিশুকে সব ধরনের অভিজ্ঞতার সম্মুখীন হতে দিন। আজকাল বাবা-মায়েরা বাচ্চাকে সব কিছু থেকে সরিয়ে রাখে। সে পারবেনা, তার কষ্ট হবে ভেবে মাত্রাতিরিক্ত যত্নে রাখে। এটা করা একেবারেই উচিত নয়। এতে বাচ্চার বড় হয়ে সমস্যায় পড়বে। সব রকম পরিস্থিতির সম্মুখীন হলে সে নিজেকে চিনতে শিখবে, জানতে শিখবে সে কী চায়।
২. পড়াশোনার বাইরে আঁকা, গান, নাচের মতো বিভিন্ন অ্যাক্টিভিটিতে যুক্ত করুন। খেলায় ভর্তি করুন। দেখুন বাচ্চা কিসে আনন্দ পাচ্ছে। পড়া ছাড়া কোনটা মন দিয়ে করতে চাইছে। সবাইকে যে ডাক্তার হতে হবে এমন নয়। ক্রিয়েটিভিটির গুণেও সে উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ পেতে পারে।

৩. তার প্রতিভা ও আগ্রহকে সব সময় উৎসাহ দেবেন। এতে সে আরও শিখবে। কখনোই বাচ্চার ভুল ধরিয়ে দেবেন না। সে যা ভুল করছে তা বুঝিয়ে বলুন। কিন্তু, বাইরের কারওর সামনে ভুলটা বলে তার আত্মবিশ্বাস নষ্ট করবেন না।

৪. অনেক বাচ্চার মধ্যেই প্রশ্ন করার একটা ঝোঁক দেখা যায়। অনেকেই বেশি জানতে চায়। বাচ্চার মধ্যে এমন জিনিস দেখলে প্রশংসা করবেন। তার সব ধরনের প্রশ্নের উত্তর দিন। তার জানার চেষ্টাকে গুরুত্ব দিন। তবেই বাচ্চার সঠিক বুদ্ধি ও মানসিক বিকাশ ঘটবে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.