দেখতে দেখতে পুজো চলে এলো৷ শপিং তো শুরু হয়ে গিয়েছে সকলের৷ জামা, জুতো সময় নিয়ে ভির ঠেলে কিনছেন৷ কিন্তু সেই ভির ঠেলে পুজোয় ঠাকুর দেখতে যাওয়ার সময় নাজেহাল অবস্থা হয়৷ তার ওপর নতুন জুতো হলে তো আরোই সমস্যার ব্যাপার৷ পুজোর মধ্যে পায়ে ফোসকা পরে যায়৷ পুজো বাকি দিনগুলো আর ঠিক করে ঘোরা যায় না৷

ফোসকা পরলে দগদগে ঘা হয়ে যায়৷ আর তাতে সেই জায়গাটা জ্বলতে থাকে৷ এই জ্বালা দূর করতে অ্যালোভেরা জেল ব্যবহার করুন৷ জেল না থাকলে অ্যালোভেরা পাতা নিয়ে সরাসরি ঘষতে পারেন৷ এতেও অনেকটা জ্বালার হাত থেকে মুক্তি পাবেন৷ জেলটা শুকিয়ে গেলে ইষদোষ্ণ গরম জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন৷

নতুন জুতো পরার আগে পায়ে ভালো করে নারকেল তেল লাগিয়ে নিন৷ এতে আপনার পা স্লিপারি হয়ে যাবে ঠিকই কিন্তু ফোসকা আর পরবে না৷ আর ফোস্কা পরে গেলে তেল লাগিয়ে তারপরই জুতো পরুন৷ তাতেও ফোসকা সেরে যাবে৷

চালের গুড়ো দিয়ে ফোসকার দাগ তোলা যায়৷ দুই চামচ চালের গুড়োর সঙ্গে অল্প জল মিশিয়ে মিশ্রণটি ফোসকায় লাগান৷ শুকিয়ে যাওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করে গরম জলে ধুয়ে ফেলুন৷ কয়েক সপ্তাহ পরই আপনি ফল পাবেন৷

ফোসকা পরা জায়গাটায় বারবার মধু লাগিয়ে ঘষতে থাকুন৷ খুব দ্রুত ফোসকা শুকিয়ে যাবে৷

এক চামচ কর্পূরের সঙ্গে খানিকটা নারকেল তেল মিশিয়ে আপনার পায়ের ফোসকায় লাগিয়ে দিন৷ প্রতিদিন এই পদ্ধতিটি ব্যবহার করুন৷ এতে আপনার ফোসকা সারবে৷ জ্বালাও করবে না৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।