নয়াদিল্লি: গ্রাহস্থের বোঝা কমাতে সরকার এলপিজি গ্রাহকদের ভর্তুকি সরবরাহ করে।তবে সরকারের আবেদনের পরে অনেকে ভর্তুকি ছেড়ে দিয়েছিলেন। যাতে অভাবগ্রস্তরা এটির সুবিধা পেতে পারে।তবে আপনি যদি ভর্তুকি ছেড়ে আফসোস করে থাকেন তবে আর চিন্তা নেই। আপনি আবারও ভর্তুকি পেতে পারেন।

আপনি যদি আগে এলপিজিতে ভর্তুকি নেওয়া ছেড়ে দিয়ে থাকেন এবং এখন আপনি আবার শুরু করতে চান, তবে আপনাকে এটির জন্য একটি আবেদন করতে হবে। এই আবেদনটি আপনাকে আপনার গ্যাস এজেন্সিকে করতে হবে। এই আবেদনের সঙ্গে আপনার একটি আইডি প্রুফ, ঠিকানার প্রমাণপত্র, গ্যাস সংযোগের কাগজপত্র এবং আয়ের প্রমাণের প্রতিলিপি জমা দিতে হবে। এরপরে গ্যাস এজেন্সি থেকে আপনাকে একটি ফর্ম দেবে, যেটি পূরণ করতে হবে।তারপর গ্যাস এজেন্সির দ্বারা যাচাই করা হবে। তারপর এক সপ্তাহের মধ্যে ভর্তুকি চালু হয়ে যাবে। এ সম্পর্কে আরও তথ্য পেতে হলে আপনি আপনার নিকটতম গ্যাসের ডিলার বা আপনার গ্যাস এজেন্সির সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেন।মনে রাখতে হবে ভর্তুকি পেতে হলে গ্রাহকের বার্ষিক ইনকাম ১০ লক্ষের নিচে হতে হবে।

অভাবগ্রস্তকে গ্যাস ভর্তুকির সুবিধা দিতে কেন্দ্রীয় সরকার এর আগে গিভ ইট আপ ক্যাম্পেইন শুরু করেছিল।এই ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে প্রচার চালানো হয়েছিল যে সমস্ত গ্রাহকরা ভর্তুকি ছাড়াই এলপিজি কিনতে পারবেন, তারা নিজের ইচ্ছায় ভর্তুকির সুবিধা ছেড়ে দিতে পারেন।সরকারের এই উদ্যোগের পরে, অনেকে এলপিজির ভর্তুকি নেওয়া ছেড়ে দিয়েছিলেন। তবে করোনার সময় অনেকে আবার ভর্তুকির প্রয়োজনীয়তা অনুভব করতে শুরু করেছে। এ কারণে তারা আবারও এই সুবিধা নিতে চায়।

এলপিজি গ্রাহকদের গ্যাস ভর্তুকির প্রত্যক্ষ সুবিধা দিতে সরকার তাদের গ্যাস সংযোগগুলি ব্যাংক অ্যাকাউন্ট এবং আধার কার্ডের সাথে যুক্ত করেছে।যাঁরা রান্নার গ্যাসে ভর্তুকি পান, তাঁদের বাজার দরে সিলিন্ডার কিনতে হয়। সিলিন্ডার পাওয়ার পরে গ্রাহকের নির্দিষ্ট ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ভর্তুকির টাকা জমা পড়ে। একজন গ্রাহক একটি অর্থ বছরে সর্বোচ্চ ১২টি সিলিন্ডারের জন্য ভর্তুকি পান।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.