নয়া দিল্লি : পাবলিক প্রভিডেন্ট ফান্ড বা পিপিএফ বিনিয়োগের জন্য চাকুরিজীবিদের এক অন্যতম পছন্দ। এর পিছনে বিশেষ কিছু কারণও আছে। উচ্চ সুদের হার, রিটার্নের নিশ্চয়তা এবং ট্যাক্সের সুবিধার কারণে অনেকেই এই প্রভিডেন্ট ফান্ডে আস্থা রাখেন। এছাড়া অবসরকালীন সময়, ছেলে মেয়েদের পড়াশোনা, বিয়ে এবং অন্যান্য লং টার্ম বিনিয়োগের জন্য দেশবাসী এখন পিপিএফ-এর ওপরেই ভরসা রাখেন।

এই মুহূর্তে প্রভিডেন্ট ফান্ড যে পরিমাণে সুদ দেয় তা তুলনায় অন্যান্য কোনও ফিক্সড বিনিয়োগের থেকে বেশি। বর্তমানে পিপিএফে সুদের হার ৭.৯ শতাংশ। সুদ ছাড়াও, পিপিএফ এর আরও একটি দুর্দান্ত সুবিধা হল পিএফএফের উপর অর্জিত সুদ, বার্ষিক বিনিয়োগ সব কিছুই আয়কর থেকে মুক্ত হয়। ফলে একটা মোটা অঙ্কের টাকা আয়করের হাত থেকে বেঁচে যায়।

এমনকি আয়করের ছাড়ের কারণেই অনেকে পিপিএফ-এ বিনিয়োগ করে থাকেন। একজন পিপিএফ বিনিয়োগকারী তার দেড় লক্ষ টাকা বিনিয়োগের পরে আয়কর ছাড়ের সুবিধা দাবি করতে পারেন। তবে, অনেকেই জানেন না যে তারা তাদের পিপিএফ বিনিয়োগে আয় করতে বৃদ্ধি করতে পারেন।

সবচেয়ে বেশি সুদ পেতে হলে, আপনাকে অবশ্যই জানতে হবে আপনার পিপিএফ অ্যাকাউন্টে সরকার কীভাবে সুদ জমা করে। পিপিএফ অ্যাকাউন্ট বছরে গণনা করা হয় এবং বছরের শেষে টাকা জমা করা হয়। পিএফ-এর সুদ বছরে জমা করা হলেও, এটা গণনা করা হয় অ্যাকাউন্টে সর্বনিম্ন ব্যালেন্সের ভিত্তিতে প্রতিমাসের ৫ তারিখ থেকে মাসের শেষের দিনের মধ্যে। সুতরাং আপনি যদি মাসিক কিস্তিতে টাকা জমা রাখেন তবে প্রতি মাসের ৫ তারিখের আগে টাকা যাতে অ্যাকাউন্টে পৌঁছায় সেটা দেখা জরুরি।

যদি কোনও বিনিয়োগকারী মাসের ৫ তারিখের আগে বিনিয়োগ জমা দেন, তবে তিনি মাসের ১ থেকে ৪ তারিখের মধ্যে বিনিয়োগের উপর সুদ পেতে পারেন। আর যদি আপনি যদি বার্ষিক ভিত্তিতে পিএফ অ্যাকাউন্টে টাকা রাখেন, তবে মাত্র একটা ব্যাপারে নিশ্চিত হন, যে আপনি ৫ এপ্রিলের আগে টাকা জমা করছেন, কারণ তাহলেই আপনি সবচেয়ে বেশি সুদ পাবেন।