কলকাতা: করোনা (corona) সংক্রমণ শরীরে মারাত্বক প্রভাব ফেলতে পারে। মৃদু বা বেশিমাত্রায় সংক্রমণ হলেও আমাদের শ্বাস প্রশ্বাস প্রক্রিয়ার এর দীর্ঘমেয়াদী ফলাফল হতে পারে। তাই করোনা থেকে সেরে ওঠার পর ও সতর্ক থাকা অবশ্যই প্রয়োজন। সংক্রমণের পর দীর্ঘদিন ধরে এই মারণ ভাইরাসের সঙ্গে লড়াই করার ফলে শারীরিক দুর্বলতা দেখা দিতে পারে। চিকিৎসকরা মনে করেন রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বেশি থাকলে সহজে এই ভাইরাস আক্রমণ করতে পারে না , কিন্তু আক্রান্ত হওয়ার পর রোগীর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা নষ্ট হতে পারে। তাই করোনা থেকে সেরে ওঠার পর নিজের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে কিছু উপায় দেওয়া হল এই প্রতিবেদনে।

১. করোনা থেকে সেরে ওঠার পর ভাইরাসের সঙ্গে কড়াইতে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বিনষ্ট হতে পারে কারণ আক্রান্ত হওয়ার পর শরীর এই ভাইরাসের সঙ্গে লড়াই করে। তাই সেরে ওঠার পর বেশ কিছু দিন ধরে পর্যাপ্ত বিশ্রামে থাকা প্রয়োজন। কারণ অনেকেই করোনা থেকে সেরে উঠে দুর্বলতা অনুভব করেন। সঠিক ভাবে বিশ্রাম নিলে পুনরায় বৃদ্ধি পাবে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা।

২. খাদ্য থেকে সংক্রমণের সময় ক্ষয়ে যাওয়া শক্তি পুনরায় ফিরে আসবে। এই রোগ থেকে সেরে ওঠার পর প্রতিদিনের খাবারে যথেষ্ট পরিমাণ দুধ, ডিম, বাদাম, চিকেন জাতীয় প্রোটিন সম্বৃদ্ধ খাবার খেতে হবে । রোজ কমপক্ষে একটি করে ফল খেতে হবে। হাইড্রেটেড থাকার nljonno নিয়মিত পর্যাপ্ত পরিমাণ জল খাওয়া প্রয়োজন।

৩. করোনা সংক্রমণ থেকে সেরে ওঠার পর দ্রুত সুস্থ হতে শরীরচর্চা আবশ্যিক। প্রথমে দুর্বলতার কারণে অনেকের শরীরচর্চা করতে অসুবিধা হলেও ধীরে ধীরে করতে হবে শরীর চর্চা। এর ফলে রক্তে অক্সিজেনের মাত্রা বৃদ্ধি পাবে এবং রক্ত সঞ্চালন স্বাভাবিক হবে। জোড় করে বেশি শরীর চর্চা করার প্রয়োজন নেই। যতটুকু সম্ভব ততটুকুই করুন। এর ফলে হারানো রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা পুনরুদ্ধার সম্ভব।

৪. জলীয় বাষ্প গ্রহণ করা এই রোগ থেকে সেরে ওঠার পর প্রয়োজন। ২ থেকে ৩ মিনিট ধরে রোজ সাধারণ গরম জল থেকে নির্গত বাষ্প গ্রহণ করুন। কারণ করোনা ভাইরাস সংক্রমনের ফলে সব থেকে বেশি আমাদের ফুসফুস ক্ষতিগ্রস্ত হয়। জলীয় বাষ্প গ্রহণ করলে উপকার পাবেন।

৫. করোনা সংক্রমণের প্রভাব ব্যক্তিবিশেষে আলাদা হতে পারে। করোনা থেকে সেরে ওঠা রোগীদের অনেকের মধ্যে স্ট্রোক, হার্ট এ্যাটাক, ব্ল্যাক ফাংগাস সংক্রমন জাতীয় নানা রোগ দেখা গেছে। তাই এই বিষয়ে সতর্কতা প্রয়োজন । যদি কোনো রকমের সমস্যা হয় দেরি না করে সঙ্গে সঙ্গে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.