ঘন্টাখানেক পরেই শুরু মাধ্যমিক। জীবনের প্রথম বড় পরীক্ষা।  বেশ কয়েকটি বিষয় রয়েছে যা কাটিয়ে উঠতে পারলেই হাতে আসবে দুর্দান্ত রেজাল্ট। পরীক্ষার দিনগুলিতে চাপ মুক্ত থাকতে মাথা থেকে ঝেড়ে ফেলা উচিত অত্যাধিক চিন্তা। কোনও বিষয়ের প্রতি দুর্বলতা থাকলে সেটি নিয়ে বার বার ভাবলে তার প্রভাব অন্য বিষয় গুলিতে গিয়ে পড়ে। কারণ, অন্য পড়া মুখস্ত করার সময় ঘুরে ফিরে মাথায় সেই বিষয় নিয়ে চিন্তা করা। যা একেবারে অনুচিত। এছাড়া সারাবছর না পড়ে পরীক্ষার সময় একটানা পড়লে আখেরে লাভের পরিবর্তে ফল হিতে বিপরীত হতে পারে।

এছাড়াও একাটানা দীর্ঘক্ষন না পড়ে বরং পড়ার মাঝে একটু বিরতি নিন। তাতে পড়া ভালো মাথায় গেঁথে যাবে। যে বিষয়টি পড়ছেন সেটি পরের বার না দেখে লিখে ফেলার চেষ্টা করুন। এতে হাতের লেখা প্র্যাকটিস হবে যেমন, তেমনই বানান হবে নির্ভুল এবং সময় সম্পর্কে ছাত্র ছাত্রীদের ওয়াকিবহাল করবে। প্রতিদিন একটু একটু করে প্রতিটি বিষয় পড়ার পাশাপাশি খাতায় লেখার চেষ্টা করুন। ফল পাবেন পরীক্ষার হলে গিয়ে। কারণ, একই পড়া বার বার পড়লে মানুষের মস্তিস্ক তা গুলিয়ে ফেলে। ফলে একই পড়া বার বার লেখার চেষ্টা করুন। পরীক্ষার খাতায় উত্তর হবে জলের মত। গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, তারিখ এবং নামের জায়গায় পেন অথবা পেনসিল দিয়ে দাগ দিয়ে রাখুন। যাতে পরীক্ষার আগে চোখ বুলিয়ে নিতে পারেন।

এছাড়াও, ছাত্র-ছাত্রীদের উচিত শর্টস নোট বা গুরুত্বপূর্ণ সাল তারিখ, টিকা লিখে রাখার জন্য একটি আলাদা খাতা বানানো। পড়ার সময় কাজে দেবে তা। পরীক্ষার দিন গুলিতে একটানা বেশি রাত পর্যন্ত না পড়ে বরং দিনের বিভিন্ন সময়ে পড়ার বিষয় গুলি ভাগ করে ফেলুন। এতে আলাদা আলাদা বিষয়ের পড়া যেমন মুখস্ত হবে তেমনই অন্য বিষয় নিয়ে ভিতরের মানসিক চাপ কমবে। পরীক্ষার আগে বাড়িতে পড়া অভ্যাস করে সেটি ঘড়ি ধরে পরীক্ষা দিন। এতে পড়াশুনোর প্রতি মনসংযোগ বাড়বে।

পাশাপাশি অভিভাবকদের উচিত, সন্তান ঠিকমতো ঘুমাচ্ছে কি না আপনাকে খেয়াল রাখতে হবে। সন্তানকে সময় দিন। সবসময়েই পড় পড় বলে অযথা চাপে রাখবেন না। ছেলেমেয়েকে বলতে হবে, ভালো প্রস্তুতি নিয়েছিস। তোর ভালো রেজাল্ট হবেই। এভাবে প্রশংসা করে তাদের উৎসাহিত করতে হবে। কথায় কথায় প্রতিযোগিতার মধ্যে ফেলে দিলে সন্তান পরীক্ষার আগে বিচলিত হয়ে যায়।

প্রশ্ন অনেক: দশম পর্ব

রবীন্দ্রনাথ শুধু বিশ্বকবিই শুধু নন, ছিলেন সমাজ সংস্কারকও