Work Load

কলকাতাঃ একটা সময় ছিল যখন সবাই অফিসের কাজ সেরে ক্লান্ত হয়ে বাড়ি ফিরত। বাড়ি ফিরে নিজের পছন্দ অনুযায়ী একটু আধটু আড্ডা বা উইকএন্ডে বন্ধুবান্ধবদের সঙ্গে করে একটু এদিক ওদিক বেরিয়ে আসা। কর্ম জীবন ব্যালেন্স করে এটাই ছিল মানুষের একটু রিল্যাক্স করার সংজ্ঞা।

কিন্তু সেই দিন এখন অতীত। এখন মানুষের অফিসের কাজ করার ধরনটা বদলে গিয়েছে, সৌজন্যে করোনা ভাইরাস। বাড়ি থেকে বসে করতে হচ্ছে অফিসের কাজ, চিত্ত বিনোদনের উপায় নেই, বন্ধুদের সঙ্গে দেখা করার রাস্তা নেই, ভয় করোনা সংক্রমণের। স্ট্রেস মানুষের জীবনের একটি স্বাভাবিক অঙ্গ কিন্তু তাকে ঝেড়ে ফেলতে অবসর – বিনোদন অবশ্যই প্রয়োজন। তার থেকে মেলে মানসিক শান্তি, নতুন করে কাজ করার উদ্যম। ওয়ার্ক ফ্রম হোম কাজের চাপ ক্রমশ ঊর্ধ্বমুখী,কারণ সহকর্মীদের কেউ মারণ ভাইরাসে আক্রান্ত হলে তার ভাগের কাজটা তো আর ফেলে রাখা যায় না। ফলে বাড়ছে স্ট্রেস যার ফলে দীর্ঘ হচ্ছে কাজের সময়, একঘেয়ে হয়ে যাচ্ছে জীবন, অস্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়ার প্রবণতাও ক্রমশই বেড়ে চলেছে।

আগে অফিসে কাজের ফাঁকে সহকর্মীদের সঙ্গে চায়ের কাপে চুমুক, বা সিগারেটে টান ছিল স্ট্রেস কমানোর
উপায়, এখন সেই সুযোগও নেই। এই প্রবণতা আমাদের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের ক্ষতি করছে।
পরিবর্তন আসছে ব্যবহারেও। শারীরিক ক্লান্তি, মাথার যন্ত্রণা, হজমে সমস্যা ঘুমের সমস্যা, ত্বকের
বিভিন্ন সমস্যা, হজমের সমস্যার মতো শারীরিক সমস্যার পাশাপাশি ডিপ্রেসন, উদ্বেগ, মন সংযোগে অভাব
ইত্যাদি মানসিক সমস্যাও দেখা দিচ্ছে। কর্মদক্ষতা হ্রাস পাচ্ছে, ঘন ঘন বদলাচ্ছে মুড, অসহিষ্ণুতা আমাদের
সামাজিক ও পারিবরিক সম্পর্কেও প্রভাব বিস্তার করছে। এই গুলোর প্রভাবে জাঙ্ক ফুড খাওয়ার প্রতি
ঝোঁক, ঘুমের অভাব এই সমস্যা গুলো বাড়ছে যার ফলে অসুস্থ হওয়া বা ওজন বৃদ্ধির মত গুরুতর সমস্যা দেখা
দেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

কিভাবে কাজ ও স্বাস্থ্য ব্যালেন্স করবেন ? জেনে নিন–

১. জীবন যাত্রার পরিবর্তন ঘটান। পরিমিত ও স্বাস্থ্যকর আহার, পর্যাপ্ত ঘুম ও নূন্যতম শরীর চর্চা
আপনাকে ভালো রাখবে।

২. পরিবারকে সময় দিন। নিজের সকল সমস্যা গুলো পরিবারের সাথে ভাগ করে নিন। বন্ধুদের সাহায্যও নিতে
পারেন। সরাসরি দেখা করতে না পারলেও ভার্চুয়াল মাধ্যমে দেখা তো হতেই পারে।

৩. নিজের অসুবিধা, সমস্যার ব্যাপারে কথা বলতে হবে। সেরম বুঝলে কোনো পেশাদার মনোবিদের সাহায্য নিতেপারেন। এটা আপনাকে সাহায্য করবে আপনার পুরনো অবস্থায় ফিরে যেতে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.