নয়াদিল্লি : মহামারির বছর ঘুরলেও নতুন বছরেও রেহাই নেই মারণ ব্যাধির থাবা থেকে। আনলক পর্বেও দেশজুড়ে বাড়ছে করোনার সংখ্যা। লকডাউন উঠে গেলেও আক্রান্তের সংখ্যা ক্রমশ ঊর্ধ্বমুখী হওয়ায় ফের দেশবাসীকে করোনা নিয়ে সতর্ক থাকার নির্দেশ দিয়েছে সরকার ।

যদিও দীর্ঘ মেয়াদি লকডাউন পিরিয়ড কাটিয়ে আনলক পর্বে ধীরে ধীরে স্কুল কলেজ খুলতে শুরু করেছে। গৃহবন্দী দশা থেকে ক্রমশ স্বাভাবিক জীবনের ছন্দে ফেরার চেষ্টা করছে সবাই। কিন্তু তবুও এখনও চোরা একটা আশঙ্কা তাড়া করে বেড়াচ্ছে সকলকে। করোনাকে বশে আনতে বিশ্বের প্রায় বেশিরভাগ দেশেই শুরু হয়ে গিয়েছে ভ্যাক্সিন প্রয়োগের কাজ। তবে পৃথিবীর প্রতিটি দেশের কোনায় কোনায় টিকা না পৌঁছনো পর্যন্ত মিলছে না সেভাবে স্বস্তি। আর তারই মধ্যে করোনার সেকেন্ড ওয়েভ নিয়ে শুরু হয়েছে আমজনতার জন্য সতর্ক বার্তা।

তবে এই মুহুর্তে দীর্ঘ দিন পঠন পাঠন সব বন্ধ থাকায় স্কুল কলেজ গুলি ধীরে ধীরে খুলে দেওয়া হলেও সবাইকে করোনা সম্পর্কিত বিধিনিষেধ মেনে চলার নির্দেশ দিয়েছে প্রশাসন।

যদিও আপাতত নাইন, টেন এবং ইলেভেন ও টুয়েলভদের নিয়ে স্কুল গুলিতে ক্লাস শুরু হয়েছে। ছোটোদের পঠন পাঠন ফের কবে থেকে শুরু হবে তা নিয়ে এখনও কোনও নির্দেশিকা প্রকাশ করা হয়নি সরকারের তরফে।

ফলে এখন ছেলে মেয়েদেরকে স্কুলে পাঠানো নিয়ে যেমন উৎকন্ঠায় ভুগছেন অভিভাবকেরা তেমনই প্রতিটি বিদ্যালয় গুলিতে সবাইকে করোনা সংক্রান্ত গাইডলাইন কঠোর ভাবে মেনে চলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আর এই অবস্থায় এতদিন পর সন্তানকে বিদ্যালয়ে না পাঠালো যেমন হয় না তেমনই নিজে যদি একটু সতর্ক থাকা যায় তাহলে কিছুটা হলেও রোধ করা যাবে অদৃশ্য এই ব্যাধিকে।

সন্তানকে বিদ্যালয়ে পাঠানোর সময় যে বিষয় গুলি মাথায় রাখা জরুরি তা হল-

1. সোশ্যাল ডিসট্যান্স বা সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা। লকডাউন উঠে গেলেও ভুলে যাবেন না পৃথিবী থেকে চলে গেছে করোনা মহামারি। এখনও পুরোপুরি বশে আনা যায়নি মারণ এই ব্যাধিকে। ফলে যতটা সম্ভব এখনও সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার চেষ্টা করুন।

2. প্রকাশ্য স্থানে মাক্স ব্যবহার করুন। স্কুলে ক্লাস চলাকালীন ছাত্র শিক্ষক উভয়ের মাক্স পড়ে পড়াশোনা করা বাধ্যতামূলক হওয়া উচিত।

3. হাইজিন মেন্টেন করে চলা। বেঞ্চে দু জনের বেশি কাউকে বসতে না দেওয়া। সম্ভব হলে অল্টারনেটিং করে ক্লাস নেওয়া যেতে পারে।

4. বিদ্যালয় চত্বরে যেখানে সেখানে নোংরা না করা এবং কফ থুতু না ফেলা। এতে জীবাণু বাড়বে বৈকি কমবে না।
5. ক্লাসে আসা প্রতিটি ছাত্র ছাত্রীর কোভিড টেস্ট অবশ্যই করা উচিত। এছাড়াও থামার্ল গান দিয়ে দেহের তাপমাত্রা পরিমাপ করা উচিত।

6. স্কুল চালুর ক্ষেত্রে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা সম্পর্কিত যাবতীয় সচেতনতা মূলক ব্যবস্থা নিতে হবে এবং তা সুনিশ্চিত করতে হবে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.