নয়াদিল্লি: সামনেই কর্ণাটকে ভোট। সিংহাসন জেতার কঠিন লড়াই। তারপর হাতে গোনা কয়েক মাস বাদেই সবথেকে বড় লড়াই, লোকসভা নির্বাচন। ধর্ষণ থেকে মূল্যবৃদ্ধি, বিরোধীদের হাতে তো ইস্যুর অভাব নেই। তাই অন্তত কর্মসংস্থানকে যদি হাতিয়ার করা যায়, সেটাই এখন লক্ষ্য মোদী সরকারের। তাই গত চার বছরে কত চাকরি হয়েছে, সেই অঙ্কই এখন কষতে বসছেন মোদীর মন্ত্রীরা। স্বয়ং নরেন্দ্র মোদীর নির্দেশেই এই কর্মকাণ্ড।

কেন্দ্রের সব মন্ত্রককে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যাতে, তারা সব প্রজেক্ট ও প্রোগ্রামের তালিকা তৈরি করে কর্মসংস্থানের হিসেব কষে। এছাড়া ওইসব সরকারি প্রকল্প দেশের জিডিপি-র উপর কতটা প্রভাব ফেলেছে, সেই হিসেব-নিকেশও করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

১৪-র লোকসভা নির্বাচনের আগে মোদী প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন প্রত্যেক বছর ১ কোটি নতুন কর্মসংস্থান তৈরি হবে। কার্যত মোদী-ঝড়েই সেবছর ক্ষমতায় আসে বিজেপি। কিন্তু, ক্ষমতায় আসার পর থেকেই সেসব প্রতিশ্রুতি কতটা বাস্তবায়িত হচ্ছে, তা কড়া-গণ্ডায় বুঝে নিচ্ছেন বিরোধীরা। তাই সঠিক উত্তর দিতে রীতিমত প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছেন মোদী।

এমাসেই প্রধানমন্ত্রী হিসেবে চার বছর পূর্ণ করবেন নরেন্দ্র মোদী। চার বছরে জাতীয় রাজনীতিতে অনেক চড়াই-উতরাই পেরিয়েছেন তিনি। তবে ২০১৯-এ কি হবে, তা নিয়ে ভাবা এখন থেকেই শুরু করে দিয়েছেন তিনি। কোথাও কোনও খামতি রাখতে চান না, একেবারে একশোয় একশ’ই তাঁর লক্ষ্য।

‘মেক ইন ইন্ডিয়া’র হাত ধরে দেশে বিনিয়োগ বাড়লেও কর্মসংস্থানের কোনও হিসেব পাওয়া যায়নি। এমনকী ২০১৬-তে নোট বাতিলের পর চাকরিহীন হতেও হয়েছে অনেককে। তাই বিরোধীদের জবাব দিতে এবার কড়ায়-গণ্ডায় হিসেব চাইলেন নরেন্দ্র মোদী।