নয়াদিল্লি: কুলভূষণ যাদবের সঙ্গে তাঁর মা ও স্ত্রী’র দেখা হওয়ার পর থেকেই পাকিস্তানের স্বরূপ প্রকাশ্যে এসেছে। কিভাবে তারা মিথ্যা অভিযোগে ফাঁসাতে চাইছে, কুলভূষণের স্ত্রী’র জুতো নিয়ে নেওয়ার ঘটান থেকেও পরিষ্কার। জানা গিয়েছে, কুলভূষণকে দিয়ে মিথ্যা স্বীকারোক্তি করিয়ে ফের একবার নতুন ছক কষেছিল পাকিস্তান। কিন্তু তাঁর মা অবন্তী যাদবের জন্য ভেস্তে যায় সেই পরিকল্পনা।

মা ও স্ত্রী’কে দেখামাত্রই পাকিস্তানের শেখানো বুলি বলতে শুরু করেন ভারতের প্রাক্তন নৌসেনা অফিসার কুলভূষণ। আগেই জানা ভারতীয় গোয়েন্দারা জানিয়েছে, কিভাবে তাঁর মুখ থেকে স্বীকারোক্তি বের করার জন্য অত্যাচার চালিয়ে যাচ্ছে পাকিস্তান। তাই মা ও স্ত্রী’কে দেখেই তিনি বলতে শুরু করেন যে, তিনি একজন ভারতীয় চর। এমনকি তিনি অনেক সন্ত্রাসের ষড়যন্ত্র করেছেন বলেও উল্লেখ করেন। ছেলের মুখ থেকে প্রথমেই এমন কথা শুনতে আঁতকে ওঠেন মা। তিনি বলেন, ‘কেন এসব বলছ? তুমি ও ইরানে ব্যবসা করতে গিয়েছিলে, তোমার সত্যিটা বলা উচিৎ।

ভারতীয় গোয়েন্দাদের দাবি, আসলে এভাবে মাও স্ত্রী’র সামনে স্বীকার করিয়ে কুলভূষণকে বিপাকে ফেলতে চেয়েছিল পাকিস্তান সরকার ও আইএসআই। কিন্তু সেই কথোপকথন রেকর্ডিং করে চালানোর ছকটাই বানচাল করে দেন তাঁর মা। অবন্তী যাদবের উপস্থিত বুদ্ধিতেই এবারের মত সাজানো পরিকল্পনা ভেস্তে যায়। যদিও তাঁদের সঙ্গে দেখা হওয়ার পর ফের সাংবাদিক বৈঠক করিয়ে পাকিস্তান সরকারের প্রশংসা করানো হয় কুলভূষণ যাদবকে দিয়ে।

অন্যদিকে, ধাতব কোনও বস্তু ছিল কুলভূষণের স্ত্রী’র জুতোয়। এমনই সন্দেহে তাঁর জুতো খুলে ফরেনসিক টেস্টে পাঠায় পাকিস্তান হয়েছে। আর পাকিস্তানের এই ব্যবহারে যে নিম্নরুচির পরিচয় দিয়েছে তার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে ভারত। বৃহস্পতিবার সংসদে ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানান বিদেশমন্ত্রী সুষমা স্বরাজ। তিনি প্রশ্ন তোলেন, যদি কুলভূষণের চেতানকুল যাদবের জুতোয় ধাতব কোনও জিনিস থাকত, তাহলে বিমানে যাত্রা করার সময় সিকিউরিটি চেকে ধরা পড়াটাই স্বাভাবিক ছিল।

বুধবার, পাক বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র মহম্মদ ফইজল জানান, পাকিস্তানি আধিকারিকদের সন্দেহ জুতোয় কোনও ধাতব-বস্তু রয়েছে। তাঁরা নিশ্চিত হতে চাইছেন, যে সেখানে কোনও ক্যামেরা বা মাইক্রোচিপ লুকিয়ে রাখা হয়েছে কি না।

গত ২৫ ডিসেম্বর ইসলামাবাদে পাক বিদেশমন্ত্রকের দফতরে কুলভূষণের সঙ্গে সাক্ষাত করতে দেওয়া হয়েছিল তাঁর মা ও স্ত্রীকে। সেখানে, মঙ্গলসূত্র, চুড়ি, টিপ খুলে ফেলতে হয়েছিল কুলভূষণের স্ত্রী-মাকে। এমনকী পোশাকও বদলাতে হয়। বদলে ফেলতে হয় জুতোও। এই ঘটনার পর ভারত নিন্দা প্রকাশ করে। এছাড়া কুলভূষণের মা ও স্ত্রী’কে তীব্র অপমানও করেছে সেদেশের সংবাদমাধ্যম।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।