বিশেষ প্রতিবেদনঃ  ১৯৭১ সালের ৩ ডিসেম্বর। পাকিস্তানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করল ভারত। শত্রুদমনের জন্য সব ছক কষে ফেলেছিল ভারতীয় সেনা। পূর্ব পাকিস্তানকে সব দিক দিয়ে ঘিরে ফেলা হয়েছিল।

পূর্ব পাকিস্তানের নিরাপত্তাবাহিনী প্রথম থেকেই দুর্বল ছিল। আর সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তারা আরও অসহঅয় হয়ে পড়ে। শত্রুপক্ষকে দুর্বল করে দিতে অস্ত্র সাপ্লাইয়ের সব রাস্তা বন্ধ করে দিয়েছিল ভারত।

অন্যদিকে, ওয়েস্ট ফ্রন্টে ভারতীয় সেনার সঙ্গে লড়াই করতে ব্যস্ত ছিল পাক সেনা। ভারতের আর্মি ও এয়ারফোর্স একযোগে যুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছিল। বঙ্গোপসাগর ও আরব সাগরে ভারতের নৌবাহিনীর মুখোমুখি হয়েছিল পাকিস্তানি নৌসেনা।

আর করাচি বন্দরে ভারতের ঐতিহাসিক অ্যাটাক, প্রায় শেষ করে দিয়েছিল পাকিস্তানকে। পাক নৌবাহিনীর প্রায় অর্ধেক সরঞ্জাম ছিল ওই বন্দরে। আর সেই নৌবন্দর দু’দিন ধরে জ্বলেছিল ভারতীয় নেভির ছোঁড়া মিসাইলে।

অস্ত্র সাপ্লাই দেওয়ার একমাত্র রুট হয়ে দাঁড়িয়েছিল বঙ্গোপসাগর। আর সেই রাস্তা বন্ধ করে দিয়েছিল ভারত। এমনকি আমেরিকা ও ব্রিটেন যখন যখন যুদ্ধে নাক গলাতে চেয়েছিল তখন রাশিয়া সাবমেরিন পাঠিয়ে সেই পথ বন্ধ করে দেয়।

পাকিস্তানের সামনে সবথেকে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছিল আইএনএস বিক্রান্ত। ১৬০০ টনের একটি এয়ারক্রাফট কেরিয়ার। যাতে ছিল ২৩টা এয়ারক্রাফট। চট্টগ্রামের বন্দরে দাঁড়োয়েছিল সেই এয়ারক্রাফট কেরিয়ার। আর ভারতীয় নৌসেনার এই যুদধানকে পরাস্ত করতে পাকিস্তান জলে নামিয়েছিল পিএনএস গাজি।

তখনই একটা ট্রিকস করেছিল ভারত। বিশাখাপত্তনম থেকে রেশন নিয়ে একটি নৌকা পাঠানো হয়েছিল। আর সেই তথ্য পাকিস্তান নেভির কাছে পৌঁছে দেয় পাক গোয়েন্দারা। সফলভাবে পিএনএস গাজি ডুবিয়ে দিয়েছিল ভারত। রহস্যজনকভাবে তলিয়ে যায় পাকিস্তানি রণতরী।

আইএনএস বিক্রান্তের আশেআশে ভেসে বেড়ানো একটা নৌকাকেও আস্ত রাখেনি ভারত। ঢাকা আর চট্টগ্রামের পাসে থাকা সব পাকিস্তানি রণতরীকে ডুবিয়ে দিয়েছিল ভারতীয় নৌবাহিনী। রাজার মত যুদ্ধজয় করে এসেছিল আইএনএসবিক্রান্ত।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।