কলকাতা: আজকের এই দৌড়াদৌড়ির জীবনে পারিবারিক সুখের দিকে ফিরে তাকানোর মত অঢেল সময় নেই কোনো মা বা বাবার। তাই অবহেলিত হচ্ছে সন্তানের ভবিষ্যত। তবে এই চিন্তা মাথায় আসতেই আবার অনেকেই সন্তানকে হোটেলে বা বোর্ডিংয়ে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেন। তবে হোস্টেল জীবন খুব আনন্দের নয়। কারণ সেখান পরিবারের একটা জীবন থেকে বেরিয়ে আপনাকে একা একটা সম্পূর্ণ অন্য জীবনে পা দিতে হবে পড়াশোনা বা চাকরির জন্যে। তাই মানিয়ে নিতে সবার সমস্যা হওয়াটা স্বাভাবিক। ছেলেরা তাও মানিয়ে নেয়। কিন্তু মেয়েদের জন্যে হোস্টেল লাইফে বেশ কিছু সমস্যা থেকে যায় যা তাদের একাই মোকাবিলা করতে হয়।

১. কী ধরনের মেয়েরা রয়েছে সেখানে? কে বেশি রাগী? কে বেশি খোলামেলা? কে বেশি কথা বলে? এই নানা গুণের মেয়েদের আগে দেখুন ঘুরে ঘুরে। কারণ আপনি যাওয়ার আগেই হতে পারে তারা সেখানে থাকছে।

২. এবার আপনার ব্যক্তিত্বের সঙ্গে মিলছে এমন মেয়েদের দিকে বন্ধুত্বের হাত বাড়িয়ে দিন। এটা ভাববেন না যে সে কেনো আগে বন্ধুত্ব করলো না। কারণ দরকারটা আপনারই।

আরো পোস্ট-World Kidney Day: কিডনি স্টোনে সাবধান, রইল কার্যকরী ৭ পানীয়ের খোঁজ

৩. সবার কাছে খুব প্রসিদ্ধ হয়ে যাওয়ার দরকার নেই। প্রথমে নিজের পরিচয়টি সীমাবন্ধ রাখুন আপনার ক্লাসের বন্ধুদের মধ্যেই। এরপর পাশের রুমের মেয়েদের সঙ্গে পরিচিতি বাড়ান। কারণ সকলেই যে আপনাকে ভালো ভাবে গ্রহন করবে এর কোনো মানে নেই। তাই বেশি পরিচিতি পেলে শত্রুর সংখ্যাও বাড়বে।

৪. নতুন শহরকে ভালো করে চিনুন। নতুন পরিবেশের জল, হাওয়ার সঙ্গে অ্যাডজাস্ট করাটা খুব দরকারী। নইলে যেমন শরীরে প্রভাব পড়ে, তেমন মন খারাপ হয়ে থাকে। আবার নতুন জায়গায় দোকান, রাস্তাঘাট সবই আপনাকে চিনে রাখতে হবে। একা একা যাবেন না।

৫. প্রথম প্রথম পরিবার বা কাছের বন্ধুদের জন্যে মন খারাপ করবে। তবে আপনি কী উদ্দেশ্যে এসেছেন সেটা মাথায় রাখুন। মন দিয়ে কাজ করুন ও তার ফলও পাবেন। এতে নিজের ভবিষ্যত ভালো মতো তৈরি করতে পারবেন আপনি। প্রয়োজনে নতুন কিছু শেখার চেষ্টা করুন। আপনার রুমে কোনো বন্ধুর ভালো গুণ থাকলে তার থেকে সেটা শিখুন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.