মহামারীর কারণে আগের বছর হওয়া বিধিনিষেধের জন্যে যারা নিয়মিত শরীরচর্চা করেন বা জিম যান তাদের উপর গভীর প্রভাব পড়েছে। কারণ জিম বা বাইরে বেরোনো ছিল একেবারেই বন্ধ। এবার আবার মহামারীর প্রভাব বিস্তার করছে।

এই পরিস্থিতিতে আবার প্রভাব পড়তে পারে এই রোজনামচায়। ফলে অনেকের বেড়েছে অনাকাঙ্ক্ষিত ওজন। তবে যেই সব স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে আবার মানুষ তার আগের অভ্যেসে ফিরে গেছে। তবে অনেকে আবার ভাবছেন যে কী করে আবার ওজন কমাতে সঠিকভাবে শরীরচর্চার দিকে এগোনো যায়।

নতুন একটি গবেষণা করা হয়েছে যে কীভাবে শরীরচর্চা ও তার মাধ্যমে খাওয়ার ধরনের উপর প্রভাব ফেলা যায়। সেই ফলাফল থেকে জানতে পারবেন যে কীভাবে সুস্থতার সঙ্গে সঠিক খাদ্য জড়িত। এই পরীক্ষার জন্যে ৪১ জন সুস্থ প্রাপ্তবয়স্কদের নেওয়া হয়েছে যাদের মধ্যে ২৩ জন মহিলা ও ১৮ জন পুরুষ। তাদের সকলের বয়স ১৯ থেকে ২৯ বছরের মধ্যে। সাধারণত ২৫ এর উপর বিএমআই থাকলে তার ওজন অতিরিক্ত বলে ধরা হয় ডাক্তারি বিচারে।

তাদেরকে ৪৫ মিনিটের শরীরচর্চার একটি রুটিন করে দেওয়া হয়। এর পাশাপাশি আবার ৪৫ মিনিটের বিশ্রামের একটি সময় ধার্য করে দেওয়া হয়। গবেষকদের ভিজিটের সময় যাদের ব্যায়াম দেওয়া হয় তাদের ইলেকট্রনিক প্রশ্নপত্র দেওয়া হয়। এতে শরীরচর্চার আগে ও পরে তাদের খাবারের ধরণ বা কতটা ক্ষুধার্ত তারা সেই ব্যাপারে জানতে চাওয়া হয়।

আরো পোস্ট- সম্পূর্ণ লকডাউনের পথে দেশ? কি জানালেন অর্থমন্ত্রী

এরপর শরীরচর্চা করে আরেকবার এই প্রশ্নপত্রে লিখতে হতো উত্তর। দেখা গেলো যে শরীরচর্চার পর অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে খাওয়ার গ্রহণের মাত্রা বেড়ে গেছে। ঠিক শরীরচর্চার পরেই এবং তার ঠিক ৩০ মিনিট পর এই খিদে প্রবণতা বেশি ছিল তাদের। এরকম হয় শরীরচর্চার পর এনোরেক্সিজেনিক হরমোন ক্ষরিত হওয়ার ফলে। এর জন্যে মানসিক ও মনস্তাত্বিক কারণ রয়েছে। অনেক্ষণ ঘাম ঝরানোর পর তারা নিজেদের একপ্রকার পুরস্কৃত করতে চায়। আবার হরমোনের কারণে মনে মনে খিদের উদ্রেক হয়।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.