নিউ ইয়র্ক: জনসন অ্য়ান্ড জনসনের সিঙ্গল ডোজ ভ্য়াকসিন সম্পূর্ণ নিরাপদ বলে দাবি করল আমেরিকার ফুড অ্য়ান্ড ড্রাগ অ্য়াডমিনিস্ট্রেশন (FDA)। SARS-CoV-2 ভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়তে এই টিকা সক্ষম বলে দাবি করা হয়েছে। এটি তৃতীয় করোনা ভ্য়াকসিন যাবে অনুমোদন দিল আমেরিকা। এর আগে ফাইজার ও মডার্না ভ্যাকসিনকে ছাড়পত্র দিয়েছে আমেরিকা।

তবে এই ভ্য়াকসিনের তৃতীয় দফার ট্রায়াল এখনও চলছে। এই ট্রায়ালে অংশ নিয়েছেন প্রায় ৪০ হাজার স্বেচ্ছাসেবক। প্রাথমিক বিশ্লেষণে ৩৯ হাজার ৩২১ জনের দেহে এই ভ্যাকসিন সাড়া ফেলেছে ৬৬.৯ শতাংশ। এর অর্থ নিয়ন্ত্রিত পরীক্ষায় দেখা গেল যে এই টিকা করোনাকে ৬৬.৯ শতাংশ কমিয়ে দিতে সক্ষম। এই ভ্যাকসিনের নাম Ad26.COV2.S রাখা হয়েছে। SARS-CoV-2 ভাইরাসের জিনগত উপাদান দিয়ে এই টিকা তৈরি। আরও সঠিকভাবে বলতে গেলে ভাইরাসের বাইরে যে স্পাইক প্রোটিন রয়েছে তার জেনেটিক কোড ব্যবহার করা হয়েছে টিকাকরণের ক্ষেত্রে। এই স্পাইক প্রোটিন মানুষের দেহ কোষে আবদ্ধ হয়ে সংক্রমণ ছড়ায়। এখনও পর্যন্ত অনেক টিকার ক্ষেত্রেই ব্যবহৃত হয়েছে।

এই ভ্যাকসিন দেওয়ার পর এটি দেহের মধ্যে অ্যান্টিবডি তৈরি করে। কিন্তু এটি যেহেতু দেহের মধ্যে ভাইরাসের সম্পূর্ণ জিনগত উপাদান তৈরি করতে পারে না তাই এটি মানুষকে অসুস্থ করে না। এই ভ্যাকসিন নেওয়ার পর কোনও মানুষ সংক্রমিত হলে এটি তার অ্যান্টিবডি তৈরি করে ও ভাইরাসের সঙ্গে লড়াই করে। বিশেষত Ad26.COV2.S হল এমন একটি ভ্যাকসিন যার বিকল্প ভেক্টর গঠিত হয় না। অর্থাখ মানব দেহের মধ্যে এই ভ্যাকসিনের জিনগত উপাদান প্রতিলিপি গঠন করতে পারে না। এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কারণ আসল ভাইরাস দেহে প্রবেশ করা মাত্রই প্রতিলিপি গঠন করতে শুরু করে দেয়। ফলে সংক্রমণ ছড়ায়। এই টিকা SARS-CoV-2 ভাইরাসের স্পাইক প্রোটিনকে স্থিতিশীল বিকল্প প্রদান করে।

Ad26.COV2.S ভ্যাকসিনের ভাইরাল ভেক্টর অ্যাডেনোভাইরাস (অ্যাডেনোভাইরাস ২৬) হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এটি সাধারণ সর্দি-কাশির ক্ষেত্রে কাজে লাগে। এই ভেক্টর জেনেটিকালি মডিফাই হয় যার ফলে এটি প্রতিলিপি গঠন করতে পারে না ও সংক্রমণ ছড়াতে পারে না। এটি ছাড়া আরও অ্যাডেনোভাইরাস বেসড ভ্যাকসিন রয়েছে। ইবোলা, জাইকা, ফাইলোভাইরাস, ম্যালেরিয়া, HIV, HPV ও শ্বাসযন্ত্রকে আক্রমণকারী ভাইরাসের ক্ষেত্রেও এটি ব্যবহৃত হয়।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।