নয়াদিল্লি: করোনা পরিস্থিতিতে অন্যভাবে পালিত হচ্ছে প্রজাতন্ত্র দিবস (Republic celebration 2021)। সংক্রমণ যাতে কোনওভাবেই না ছড়ায় তার বন্দোবস্ত করা হচ্ছে। দিল্লির করোল বাগ এলাকায় ভারতীয় নেভি ১৪টি হোটেল বুক করেছে। এছাড়া সেনাবাহিনী রাজধানীর সেনানিবাসের কেন্দ্রস্থলে একটি বায়ো বাবল (Bio bubbles) তৈরি করেছে। সশস্ত্র বাহিনী প্রজাতন্ত্র দিবসের কুচকাওয়াজের জন্য প্রস্তুতি নেওয়ার সময় কোভিড-১৯ মহামারী মোকাবেলায় (Army and Navy keeping participants safe amidst covid) সমস্ত রকম ব্যবস্থা নিচ্ছে।

এ বছর কুচকাওয়াজের পরিকল্পনার সঙ্গে যারা জড়িত, তাদের একটি অতিরিক্ত কাজ রয়েছে। তা হল এখানে অংশগ্রহণকারী বাংলাদেশি দল যাতে কোভিড পরিস্থিতিতে নিরাপদে থাকে তা দেখভাল করা। দিল্লির চিফ অফ স্টাফ, মেজর জেনারেল অলোক ক্যাকার বলেছেন, “দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে বিভিন্ন দল আসার কারণে কোভিডের সময় সুরক্ষা দেওয়া কঠিন কাজ ছিল। তবে আমরা নিশ্চিত যে সবাই সুরক্ষিত আছে।” তিনি ২৬ জানুয়ারি প্রজাতন্ত্র দিবসের কুচকাওয়াজের প্রস্তুতি সম্পর্কে বলতে গিয়ে এ কথা জানান।

নভেম্বরে যখন সেনাবাহিনী ও বিভিন্ন দল ব্যান্ড রাজধানীতে আসতে শুরু করে, তখন প্রায় ৩ হাজারের মধ্যে মোট ২৬০ জনের শরীরে করোনা ধরা পড়েছিল। দিল্লিতে তাঁদের কোয়ারেন্টাইন করা হয়। এখন যে সমস্ত জওয়ানদের পরীক্ষা করা হয়েছে এবং যাদের শরীরে করোনা পাওয়া গিয়েছে, তাদের চিকিৎসা চলছে (Safety in republic celebration 2021)। তিনি আরও উল্লেখ করেন করোনা ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার জন্য সেনাবাহিনী দিল্লি সেনানিবাসের প্যারেড গ্রাউন্ডে একটি বায়ো বাবল তৈরি করেছে।

ইতিমধ্যে, নৌবাহিনী করোল বাগে ১৪টি হোটেল বুক করা হয়েছে। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে যে নাবিকরা আসছেন তাঁদে জন্য এই বন্দোবস্ত। নৌবাহিনী সূত্র জানা গিয়েছে যে হোটেলগুলির একটিতে কেন্দ্রীয় রান্নাঘর স্থাপন করা হয়েছে। সেখান ছেতে অন্যান্য হোটেলগুলিতে খাবার সরবরাহ করা হচ্ছে। কয়েকটি বাস সেখানে রয়েছে। এগুলি তাঁদের হোটেল ও প্রশিক্ষণ শিবিরের মধ্যে যাতায়াতের কাজে ব্যবহৃত হচ্ছে। করোনার মহামারীর কারণে এই বন্দোবস্ত। ১২০-এরও বেশি বাংলাদেশী প্রতিনিধির ভারত আসার আগে করোনা ধরা পড়ে। তাঁদের একটি পাঁচতারা হোটেলে রাখা হয়েছে এবং প্রতিটি ক্ষেত্রে কোভিড প্রোটোকল অনুসরণ করা হচ্ছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।