সৌভাগ্যকে নিজের চারপাশে বেঁধে রাখতে কে না চায়? তবে তা পারেন কজন? সেই পথে হেঁটে কখনও আমরা জ্যোতিষীর সঙ্গে পরামর্শ করি, কখনো ফেংশুই অথবা লাফিং বুদ্ধ এনে ঘরে রাখি, কখনো আবার আঙুল জোড়া আংটি নিয়ে ঘুরি। কিন্তু ভাগ্য ফেরানোর সহজ সমাধান রয়েছে আপনার ঘরেই৷ জানেন কি? জ্যোত্যিষ শাস্ত্রে রয়েছে এমন কিছু গাছের নাম, যা ঘরে রাখলে আপনার ঘরে সৌভাগ্য আসা নিশ্চিত৷ তবে এই গাছগুলো শুধু রাখলেই হবে না, নিয়মিত এর পরিচর্যাও করতে হবে।

তুলসী গাছ : তুলসী গাছ অনেকের বাড়িতেই থাকে। পবিত্র গাছ হিসেবে এই গাছকেই মানেন অনেকে৷ বলা হয়, এই গাছও সৌভাগ্যের অধিকারী।

জুঁই গাছ : জুঁই গাছও সৌভাগ্যের প্রতীক। বলা হয়, বাড়ির কোনো মানুষ বাইরে থাকলে এই গাছ তাকে রক্ষা করে। আর জুঁই ফুলের গন্ধের কথা তো জানেনই। তাই প্রিয়জনের মঙ্গল কামনায় আজই বাড়িতে নিয়ে আসুন জুঁই গাছ।

মানি প্ল্যান্ট : বাস্তুতন্ত্র মতে, ‘মানি প্ল্যান্ট’ খুবই সৌভাগ্যদায়ী একটি গাছ৷ এই গাছ ঘরে রাখলে ঘরের সর্বত্র পজেটিভ এনার্জি সরবরাহ হয়৷ যার ফলে ঘর থেকে নেগেটিভ এনার্জি দূর হয়ে, সৌভাগ্যকে দীর্ঘস্থায়ী করে৷ ঘরে মানি প্ল্যান্ট রাখলে, নিয়মিত পরিষ্কার করুন৷ লাল হয়ে যাওয়া পাতা গুলো ফেলে দিন৷ কাচা দুধ দিয়ে পাতাগুলোকে পরিষ্কার করতে পারেন। এটি গাছের জন্যেও ভাল।

ইমিটেশন বাঁশ : ঘরে রাখতে পারেন ইমিটেশন বাঁশ গাছ। এই গাছের উৎপত্তি প্রাচীন চিনে। চিনদেশে ফেংশুই হিসেবে এই গাছ ঘরে রাখা হয়। কথিত আছে, এই গাছ পরিবারের সদস্যদের ভালবাসার বন্ধনে বেঁধে রাখতে সাহায্য করে।

ক্লোভার : চারপাতা বিশিষ্ট ক্লোভারও একটি সৌভাগ্যদায়ী গুল্ম। অনেকের বাড়ির বাগানে বা জানলার টবে এই গুল্ম দেখা যায়। বর্ষাকালে এর আধিক্য বেশি থাকে। সপ্তদশ শতকের মাঝামাঝি বলা হত, ভাগ্যক্রমে এই গুল্মের দেখা পেলে আপনার সেই দিনটি ভাল যাবেই।

জেড প্ল্যান্ট : জেড প্ল্যান্টও এক প্রকার পাতাবাহার গাছ। বাস্তুতন্ত্র মতে, এটিও সৌভাগ্যদায়ী গাছেদের মধ্যে পড়ে। বলা হয়, যারা নতুন ব্যবসায় নামছেন বা জীবনে নতুন কোনো পদক্ষেপ নিতে চলেছেন, এই গাছ তাদের জন্য মঙ্গলজনক।

বট গাছ : বনসাই করা বট গাছ রাখতে পারেন ঘরে৷ গাছটি এমন জায়গায় রাখুন, যেখানে আলো-বাতাস খেলা করে৷ নিয়মিত পরিষ্কার করুন বনসাই৷ বাস্তু শাস্ত্র মতে বট গাছ সমৃদ্ধি এনে দেয়৷

পাতাবাহার : পাতাবাহার স্নেক প্ল্যান্ট রাখুন ঘরে। বলা হয় এই গাছ সৌভাগ্যের প্রতীক। তবে সৌভাগ্য বাদ দিলেও এই গাছ আরো অনেক উপকারে আসে। বিজ্ঞানসম্মত ভাবে এটি প্রমাণিত যে এই গাছ বাতাসের কিছু বিষাক্ত গ্যাস শোষণ করে নেয়।