ফাইল ছবি

বর্ধমান: এবার চাঞ্চল্য মেমারিতে। আগ্নেয়াস্ত্র দেখিয়ে গৃহবধূকে ধর্ষণ এবং সেই দৃশ্য মোবাইল বন্দি করে তা সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়ানোর হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠল এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে । গৃহবধূর অভিযোগ এই ঘটনা নিয়ে মেমারি ও জামালপুর থানায় জানানো হলেও কোনও ব্যবস্থা নেয়নি। এমনকি নির্যাতিতার দাবি, এসপিকে জানানোর পর‌ও সুরাহা হয়নি। বাধ্য হয়ে বর্ধমান সিজেএম আদালতে মামলা করেছেন ওই গৃহবধূ।

কেস রুজু করে তদন্তের জন্য বর্ধমান মহিলা থানার আইসিকে নির্দেশ দিয়েছে আদালত। আদালতের নির্দেশে ধর্ষণ ও ভীতি প্রদর্শনের ধারায় মামলা রুজু করেছে মহিলা থানা। যদিও অভিযুক্ত এখনও গ্রেপ্তার হয়নি। গৃহবধূর আইনজীবী চন্দ্রনাথ বলেন, আদালত কেস রুজু করে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে। থানা বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়ে দেখবে বলে আশা রাখি।

আদালতে মেমারি থানার সুলতানপুরের ওই গৃহবধূ জানিয়েছেন, গত ৮ অক্টোবর তিনি দুর্গাপুজোর কেনাকাটা করতে বর্ধমান শহরে আসেন। কেনাকাটা সারতে বিকাল গড়িয়ে যায়। বাড়ি ফেরার জন্য বাসের অপেক্ষায় তিনি শহরের উপকণ্ঠে আলিসা বাসস্ট্যান্ডে ঢোকার মুখে জিটি রোডের উপর দাঁড়িয়েছিলেন। সেই সময় সেখান দিয়ে মেমারি থানার পিরিতপাড়ার এক ব্যক্তি বাইক নিয়ে যাচ্ছিল। একই জায়গায় বসবাসের সুবাদে ওই ব্যক্তির সঙ্গে তাঁর পরিচয় ছিল। তিনি কোথায় যাবেন বলে সে জানতে চায়। মেমারিতে ফেরার কথা বললে তাঁকে বাইকে চড়ার প্রস্তাব দেয় সে। তাতে তিনি রাজি হন।

জাতীয় সড়ক ধরে যাওয়ার সময় মেমারি-রসুলপুরের দিকে না গিয়ে সে বাইক নিয়ে মশাগ্রামের দিকে যায়। কারণ জিজ্ঞাসা করায় রসুলপুরের দিকে দু’টি রেলগেট আছে বলে জানায় সে। রেলগেটে আটকে পড়লে ফিরতে দেরি হবে বলে জানায় সে। মশাগ্রামের কাছে একটি ফাঁকা জায়গায় সে বাইক থামায়। এরপর তাঁকে টানা-হ্যাঁচড়া শুরু করে। এতে তিনি হকচকিয়ে যান। বাধা দিলে আগ্নেয়াস্ত্র বের করে তাঁকে খুনের হুমকি দেওয়া হয়।

তাঁকে একটি ফাঁকা জায়গায় নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ। এমনকি ঘটনার ছবিও মোবাইলে তুলে রাখে অভিযুক্ত। ঘটনার কথা কাউকে জানালে সোশ্যাল মিডিয়ায় তা ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেয় ওই ব্যক্তি। এরপর তাঁকে বাইকে চাপিয়ে মশাগ্রাম মোড়ের কাছে নিয়ে যায় সে। সেখানে তাঁকে ছেড়ে দিয়ে চলে যায় অভিযুক্ত।

মহিলা থানার এক অফিসার বলেন, আদালতের নিের্দশ পাওয়া মাত্র কেস রুজু করে তদন্ত শুরু হয়েছে। এ ব্যাপারে আইনমাফিক সব পদক্ষেপ নেওয়া হবে। মেমারি ও জামালপুর থানা অবশ্য অভিযোগ না নেওয়ার কথা অস্বীকার করেছে। এ ধরণের অভিযোগ জানাতে কেউ আসেনি বলে দুই থানার তরফে জানানো হয়েছে।

স্বামীর সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে বস্ত্র ব্যবসাকে অন্যমাত্রা দিয়েছেন।'প্রশ্ন অনেকে'-এ মুখোমুখি দশভূজা স্বর্ণালী কাঞ্জিলাল I