ইসলামাবাদ: একদিকে কাশ্মীরে একের পর এক পাক জঙ্গিকে খতম করছে ভারতীয় সেনা। অন্যদিকে পাকিস্তানে জরুরি বৈঠকে বসলেন পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। সেনা আধিকারিকদের নিয়ে নিরাপত্তা বিষয়ক বৈঠকে বসেছিলেন তিনি। পাকিস্তানের বিদেশমন্ত্রী শাহ মাহমুদ কুরেশি সে দেশের ইসলামিক কো অপারেশন অর্গানাইজেশনের সেক্রেটারিকে আর্জি জানিয়েছেন কাশ্মীর ইস্যুতে যাতে তিনি বার্তা দেন।

রবিবারই ভারতের বিরুদ্ধে বার্তা দিয়েছেন ইমরান খান। ট্যুইট করে ভারতীয় সেনার বিরুদ্ধে বার্তা দেন ইমরান খান। তিনি লিখেছেন, ‘সীমান্ত পার করে ভারত যে হামলা চালাচ্ছে, তার প্রতিবাদ জানাই।’ ভারতে জঙ্গি অনুপ্রবেশের পরও ইমরান খানের দাবি, ১৯৮৩-র চুক্তি ভঙ্গ করে বোমা ফেলেছে ভারত। এই ঘটনা বিশ্বশান্তির পরিপন্থী বলে, রাষ্ট্রসংঘের দৃষ্টি আকর্ষণ করার কথা বলেছেন তিনি।

তাঁর দাবি, কাশ্মীর নিয়ে আগ্রাসী মনোভাব দেখাচ্ছে ভারত। ট্যুইটে ইমরান ফের সেই মধ্যস্থতার ইঙ্গিত দিয়েছেন। তিনি ট্রাম্পের প্রস্তাবের কথা উল্লেখ করে বলেছেন, সেই প্রস্তাব মেনে নিলে হয়তো এই পরিস্থিতিতে পড়তে হত না ভারতকে। এই ভাবে একেবারে যুদ্ধ পরিস্থিতির মতো চরম পদক্ষেপের মধ্যে পড়তে হত না ভারতকে। শনিবারই পাক অনুপ্রবেশের ছক বানচাল করে জঙ্গিদের মৃতদেহের ছবি প্রকাশ্যে এনেছে ভারতীয় সেনা। সীমান্তে নিহত হয়েছে ৭ অনুপ্রবেশকারী।

জানা গিয়েছে, ২৯ থেকে ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে একাধিকবার ভারতে প্রবেশ করার চেষ্টা করেছে জঙ্গিরা। চার জঙ্গির দেহ পড়ে থাকতে দেখা গিয়েছে, তাদের দেহ ফেরাবে সেনা৷ তবে এজন্য পাকিস্তানকে সাদা পতাকা নিয়ে ভারতে আসতে হবে এবং শেষকৃত্যের জন্য ওই চার জঙ্গির দেহ নিয়ে যেতে হবে৷ এমনটাই জানিয়েছে ভারতীয় সেনা।

সেনা সূত্র জানাচ্ছে, এখনও ভারতের এই শর্তের জবাবে কোনও প্রত্যুত্তর দেয়নি ইসলামাবাদ৷ তবে শনিবারের এই ঘটনায় ফের একবার ভারতের দাবি প্রমাণিত, যে কাশ্মীরে ও সীমান্ত জুড়ে সন্ত্রাস ছড়ানোর পিছনে হাত রয়েছে পাকিস্তানের৷ এদিকে, রবিবার সকাল পর্যন্ত জম্মু কাশ্মীরের কেরান সেক্টরে ভারি গুলিবর্ষণের শব্দ শোনা গিয়েছে।