কথায় বলে দুজন মানুষ শারীরিকভাবে কাছাকাছি আসার প্রথম পদক্ষেপ চুম্বন বা কিস৷দুজন প্রেমিক-প্রেমিকাকে কাছাকাছি আনতে, তাদের মধ্যে দূরত্ব কমাতে বা সম্পর্কে উষ্ণতা আনতে চুম্বনের কার্যকরী ভূমিকা রয়েছে বই কী৷তবে শুধু ভালোবাসাবাসির জন্য নয়, গুড মর্নিং কিস, গুড নাইট কিস, শুভেচ্ছার চুম্বন কতই না তার ধরন৷চুম্বনের মাধ্যমে আপনি আপনার সঙ্গীর মনে চিরস্থায়ী জায়গা করে নিতে পারেন৷ অথবা কখনও কি আপনি কাউকে এমনভাবে চুম্বন করেছেন, যা আপনার মনে স্থায়ীভাবে গেঁথে গিয়েছে? আসলে চুম্বন করার কিছু রীতি রয়েছে আর সেইসব মেনে কাউকে চুম্বন করলে, তার স্মৃতিতে তা সবসময়েই থেকে যাবে৷

পড়ুন আরও- চিনকে চাপে রেখে ভিয়েতনাম এয়ারফোর্সকে সুখোই চালাতে শেখাবে ভারত

প্রত্যেকেরই চুম্বন করার আলাদা আলাদা স্টাইল থাকে৷ তবে কারওরই তো আর একদিনে হয় না৷৷ ধীরে ধীরে তৈরি হয় এই নিজস্ব স্টাইলটা৷চুম্বনের সময় নিজেকে যথাসম্ভব রিল্যাক্সড রাখুন৷ এসময় তো মুখ দিয়ে শ্বাস নেওয়া যায় না৷ তাই নাক দিয়ে খুব ধীরে ধীরে শ্বাস নিন আর সবচেয়ে ভালো হয় খানিকক্ষণ শ্বাস বন্ধ রাখতে পারলে৷দুজনেই এই পদ্ধতিটা ফলো করুন৷ তবে নাক দিয়ে এত জোরেও শ্বাস নেবেন না যাতে সঙ্গীর মুখে গরম লাগে৷দীর্ঘ চুম্বনের সময় একে অপরকে মাঝেমধ্যে শ্বাস নেওয়ার সময় ছেড়ে দিন৷

পড়ুন আরও- ভারতের ২৫২টি রেলসেতু বিপজ্জনক অবস্থায় রয়েছে

চুম্বন করার সময় অন্য কোনও ব্যাপারে ভাববেন না৷সেই মাহেন্দ্রক্ষণে যখন দুটো ঠোঁটের মিলন হচ্ছে তখন বসের বকুনি, পেন্ডিং থাকা কাজ, অফিসের অ্যাপ্রাইজাল সব ভুলে গিয়ে শুধু দুজন দুজনের মধ্যে বিভোর হয়ে মেতে উঠুন৷অতিরিক্ত উত্তেজনা বা নার্ভাসনেসে ঠোঁট স্টিফ হয়ে থাকলে বা বেশি চোখ পিটপিট করলে বা ঠোঁট নড়লে পুরো চুম্বনটাই মাঠে মারা যাবে৷

চুম্বনের সময় পার্টনারের ঘাড়ের পিছনের দুটো দিক বা হাল্কা করে যে কোনও একদিকে ধরে কিস করতে পারেন৷ তবে গাল বা ঘাড় যা-ই ধরবেন, তা যেন খুব শক্ত না হয়৷আর সঙ্গীটি যদি মহিলা হন তাহলে চুম্বন করুন কানের নীচের সংবেদনশীল অংশটিতে৷চুম্বন করার আরও একটি অভিনব পদ্ধতি হল, গলা থেকে কিস করতে করতে উপরের দিকে উঠে আপনার সঙ্গীনীর কানের কাছে গিয়ে ফিসফিস করে কোনও ভালোবাসার কথা বলা৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.