নয়াদিল্লি: বিশ্বকাপের যোগ্যতা অর্জন পর্বে এশিয়া সেরা কাতারকে তাঁদের ঘরের মাঠে রুখে দিয়েছিল স্টিম্যাচের ভারত। সাম্প্রতিক সময়ে মেন ইন ব্লু’য়ের সবচেয়ে সাড়া জাগানো ফলাফল ছিল সেটা। সেই ফলাফলের উপর ভিত্তি করেই ২০২২ বিশ্বকাপের যোগ্যতা অর্জন পর্বে সুনীলদের নিয়ে আর আশা দেখেছিল দেশের ফুটবল অনুরাগীরা। যদিও সেই মোমেন্টাম পরবর্তীতে বজায় রাখতে পারেনি ভারতীয় দল।

আগামী বিশ্বকাপে ভারতের যোগ্যতা অর্জনের আশা শেষ হয়েছে ইতিমধ্যেই। কিন্তু ফিরতি লেগে ঘরের মাঠে কাতার এবং আফগানিস্তান ম্যাচ থেকে ইতিবাচক ফলাফল আশা করছেন ভারতীয় দলের ক্রোট কোচ ইগর স্টিম্যাচ। তাই বলে প্রথম লেগে কাতার ম্যাচের ফলাফলের উপর ভিত্তি করে ঘরের মাঠে তাঁদের হারানোর মতো প্রতিশ্রুতি দেশের ফুটবল অনুরাগীদের দিতে চান না স্টিম্যাচ। তবে ভুবনেশ্বরের মাটিতে আগামী ৮ অক্টোবর কাতারের বিরুদ্ধে ম্যাচটা কখনোই হারতে চায় না দল। এমনটাই জানালেন ক্রোয়েশিয়ান কোচ।

আগামী ৮ অক্টোবর ভুবনেশ্বরে কাতারের পর ১২ নভেম্বর বাংলাদেশের বিরুদ্ধে অ্যাওয়ে ম্যাচ খেলবেন সুনীলরা। এরপর ১৭ নভেম্বর কলকাতায় আফগানিস্তানের মুখোমুখি হবে মেন ইন ব্লু। বিশ্বকাপের আশা শেষ হলেও ২০২৩ এশিয়ান কাপে যোগ্যতা নির্ণয়ের দৌড়ে এখনও রয়েছেন সুনীলরা। আর এই ম্যাচগুলি যেহেতু একইসঙ্গে এশিয়ান কাপে যোগ্যতা অর্জনের জন্যও সমান গুরুত্বপূর্ণ তাই সাবধানী স্টিম্যাচ। ‘আমরা কী করতে পারি সে বিষয়ে দৃঢ় বিশ্বাস থাকলে সবকিছু সম্ভব। আমরা কোনওভাবেই ম্যাচ হারার জন্য মাঠে নামব না।

তবে এশিয়া চ্যাম্পিয়ন কাতারের বিরুদ্ধে সমর্থকদের জয়ের প্রতিশ্রুতি দেওয়া মানে আত্মঘাতী হওয়া।’ ক্রোয়েশিয়া থেকে পিটিআই’কে জানিয়েছেন স্টিম্যাচ। তিনি আরও বলেন, ‘আমরা একটা নতুন দলের পরিকাঠামো তৈরির প্রক্রিয়া চালাচ্ছি তাই তরুণ ফুটবলারদের কোনওভাবেই চাপে ফেলতে চাই না। ওরা ফুটবলটা উপভোগ করুক এবং আগামীর জন্য অভিজ্ঞতা সঞ্চয় করুক।’

করোনার জেরে সারা বিশ্বে যা পরিস্থিতি তাতে কোনওরকম প্রস্তুতি কিংবা প্রীতি ম্যাচ না খেলেই কাতারের বিরুদ্ধে নামতে হবে দলকে। যা নিয়েও যথেষ্ট চিন্তায় ক্রোট কোচ। ফুটবলারদের জন্য কাজটা ভীষণ কঠিন হতে চলেছে বলে জানিয়েছেন তিনি। পাশাপাশি যা অবস্থা তাতে দর্শশূন্য স্টেডিয়ামেই কাতার এবং আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে খেলতে হবে দলকে। এপ্রসঙ্গে উদ্বেগের সুরে স্টিম্যাচ জানিয়েছেন, ‘অক্টোবরের মধ্যে সব ঠিক হয়ে যাক এই আশাই রাখছি। দল ভুবনেশ্বর এবং কলকাতা দু’জায়গাতেই ফুল হাউস গ্যালারির সামনে খেলতে মুখিয়ে রয়েছে।’

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।