গুয়াহাটি: দেশের অন্য রাজ্যগুলির পাশাপাশি করোনা চোখ রাঙাচ্ছে উত্তর-পূর্বের রাজ্য অসমেও। তবে নিউ নর্মালে এবার ধীরে ধীরে খোলা হবে রাজ্যের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলি। অসমের হস্টেলগুলি আগামী ১ ডিসেম্বর থেকে খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। একইভাবে আগামী ১ নভেম্বর থেকেই রাজ্যের স্কুলগুলি চালু করা হবে বলে জানিয়েছেন অসমের স্বাস্থ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা।

করোনাকালে একটানা বন্ধ রয়েছে স্কুল, কলেজ। অনলাইনেই চলছে পঠন-পাঠন। তবে সব পড়ুয়ারা সেই সুযোগ পাচ্ছেন না। স্বাভাবিকভাবেই করোনাকালে একটা বড় অংশের পড়ুয়ার পঠন-পাঠন ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। করোনা আতঙ্কে মাসের পর মাস বন্ধ স্কুল, কলেজ। অসমেও একই পরিস্থিতি। তবে এবার রাজ্যের স্কুল ও অন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলির তালা খোলার পালা।

অসমের স্বাস্থ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা জানিয়েছেন, আগামী ১ ডিসেম্বর থেকে রাজ্যের হস্টেলগুলি খুলে দেওয়া হবে। তার আগে ১ নভেম্বর থেকে চালু হবে স্কুল। করোনার সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়া রুখতে স্কুলগুলিতে সবরকম সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নিচ্ছে অসম সরকার।

ক্লাসের সেকশনের সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে। স্কুলে পড়ুয়াদের সংখ্যা কমানোয় জোর দেওয়া হয়েছে। ঠিক হয়েছে, আপাতত স্কুলের সময় দুই ভাগে ভাগ করা হবে। স্কুলের প্রথম পর্ব চলবে সকাল ৮.৩০ থেকে বেলা ১২.৩০ পর্যন্ত। এরপর ফের দুপুর ১.৩০ থেকে ক্লাস চলবে বিকেল ৪.৩০ পর্যন্ত। পড়ুয়াদের সপ্তাহে তিন দিন স্কুলে আসতে হবে।

অন্য রাজ্যগুলির পাশাপাশি করোনার সংক্রমমণ এখনও উদ্বেগ বাড়িয়ে চলেছে অসমে। রাজ্যের মোট সংক্রমিতের সংখ্যা ২ লক্ষ ছুঁইছুঁই। ইতিমধ্যেই অসমে করোনার বলি ৮৫৩ জন। উৎসবের মরশুম শেষে গোটা দেশেই করোনার সংক্রমণ বিপজ্জনক রূপ নিতে পারে বলে আশঙ্কা বিশেষজ্ঞদের।

সম্প্রতি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিভাগের অধীনে থাকা স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানগুলির কর্ণধারদের সঙ্গে বৈঠক করেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী হর্ষবর্ধন। সেখানেই তিনি আবার করোনার দ্বিতীয় পর্যায়ের সংক্রমণ ভয়াবহ পরিস্থিতি তৈরি করতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন।

দেশজুড়ে আজ শনিবার থেকে শুরু উৎসব! একদিকে নবরাত্রি অন্যদিকে দুর্গা উৎসব। গোটা দেশ উৎসবের মেতে উঠেছে। করোনাকে ভুলেই বাঁধন ছাড়া আনন্দ। মানা হচ্ছে না কোনও নিয়ম। মুখে নেই মাস্ক। এমনকী সোশ্যাল ডিস্টেন্সও মানছেন না অনেকে। এই পরিস্থিতিতে ভারতে ভয়াবহ আকার নিতে পারে করোনা। বেশ কয়েকটি রাজ্যে লাগামছাড়া সংক্রমণের আশঙ্কা করা হচ্ছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনাকালে বিনোদন দুনিয়ায় কী পরিবর্তন? জানাচ্ছেন, চলচ্চিত্র সমালোচক রত্নোত্তমা সেনগুপ্ত I