ঢাকা: সংক্রমণ যেমন দ্রুত গতিতে ছড়াচ্ছে তেমনই করোনা মোকাবিলায় আটঘাঁট বেঁধে তৈরি হচ্ছে বাংলাদেশ। চিকিৎসার জন্য ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশ ভবনে এক হাজার শয্যার করোনা হাসপাতালের উদ্বোধন হলো।

রবিবার স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক হাসপাতাল উদ্বোধন করেন। সোমবার সকাল থেকে এই হাসপাতালে রোগী ভর্তি শুরু হবে। এই হাসপাতালে ১১২টি আইসিইউ বেড ও ২৫০টি এইচডিইউ বেড রয়েছে। আইসিইউ মানের বেড আছে ১৩৮টি। প্রতিটি বেডে অক্সিজেন সরবরাহ ব্যবস্থা থাকছে। নতুন করোনা হাসপাতালে জরুরি ওয়ার্ডে রাখা হয়েছে ৫০টি বেড। অল্প সংক্রামক রোগীদের জন্য রাখা হয়েছে ৪৫০টি বেড।

হাসপাতাল উদ্বোধন করে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, করোনাভাইরাস আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা দিন দিন ভীতিকর হচ্ছে। করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে ঢাকার সব হাসপাতালের আইসিইউ বেড পূর্ণ হয়ে গেছে। কোভিড আক্রান্ত রোগীদের জন্য প্রতিদিনই আইসিইউর চাহিদা বেড়ে চলেছে। পরিস্থিতি জটিল হবে আশঙ্কায় আগেই সব ধরণের ধর্মীয় ও সামাজিক জমায়েত বন্ধ করেছে সরকার। চলছে লকডাউন।

বাংলাদেশ স্বাস্থ্য অধিদফতর জানাচ্ছে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে আরও ১০২ জনের মৃত্যু হয়েছে। এই নিয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১০ হাজার ৩৮৫ জনে দাঁড়িয়েছে। নতুন করে আরও তিন হাজার ৬৯৮ জন আক্রান্ত হয়েছেন। দেশে মোট ৭ লক্ষ ১৮ হাজার ৯৫০ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন।

রিপোর্টে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছে ৬ হাজার ১২১ জন। রবিবার পর্যন্ত মোট ৬ লক্ষ ১৪ হাজার ৯৩৬ জন করোনা থেকে সুস্থ হলেন। গত ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্তের চেয়ে বেশি মানুষ সুস্থ হয়েছেন। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আরও তিন হাজার ৬৯৮ জন আক্রান্ত হয়েছেন। এই সময়ে সুস্থ হয়েছেন ছয় হাজার ১২১ জন। বাংলাদেশে প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হয় গত বছরের ৮ মার্চ। প্রথম মৃত্যুর ঘটনা ঘটে গত বছরের ১৮ মার্চ।

৫ ই এপ্রিল থেকে বাংলাদেশ লকডাউন শুরু হয়েছে। এবার লকডাউনের মধ্যে বাংলাদেশে এক সপ্তাহের জন্য অর্থাৎ ১৪ এপ্রিল থেকে ২০ এপ্রিল পর্যন্ত সমস্ত অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সে দেশের সরকার। তবে চালু থাকবে কার্গো ফ্লাইট ।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.