নয়াদিল্লি: আগামী দু’দশকে জন সংখ্যা বৃদ্ধির জন্য হাসপাতাল পরিষেবা সংকুচিত হবে ৷ যদি গোটা দেশে হাসপাতালগুলি বর্তমান স্তরে থাকে তাহলে সব প্রধান রাজ্যেই কমবে জনপ্রতি হাসপাতাল শয্যা ৷ যা বৃহস্পতিবার অর্থনৈতিক সমীক্ষা রিপোর্টে উঠে এসেছে৷

জনগণের কাছে স্বাস্থ্য পরিষেবা দেওয়া এখনও যে ভারতের কাছে চ্যালেঞ্জ তা উঠে এসেছে সমীক্ষা রিপোর্টে ৷ বর্তমানে উন্নয়নশীল অর্থনীতির সাপেক্ষে হাসপাতালের জনপ্রতি শয্যা ইতিমধ্যেই যে খারাপ দশা তা রিপোর্টে জানিয়েছে ৷

পড়ুন: শুক্রবারে ভাগ্য কতটা সহায় জানাচ্ছে ‘আজকের রাশিফল’

পাশাপাশি সমীক্ষায় অবশ্য উল্লেখ করা হয়েছে জন সংখ্যা বৃদ্ধির হার আগামী দু-দশকে কমবে ৷ তার ফলে গোটা দেশ তার সুফল পাবে এবং কিছু রাজ্য ২০৩০ সালের মধ্যে এক সুপরিণতি সমাজ রূপান্তর ঘটবে ৷

সমীক্ষায় উঠে এসেছে , সমস্ত প্রধান প্রধান রাজ্যে যুবকদের সংখ্যা কমতে দেখা গিয়েছে এবং আগামী দু’দশকে বয়স্কদের জনসংখ্যার অনুপাত বাড়বে৷ এরফলে ২০৪১ সালের মধ্যে হিমাচল প্রদেশ, পশ্চিমবঙ্গ, মহারাষ্ট্র,পাঞ্জাব এবং দক্ষিণের রাজ্যগুলিতে এক চতুর্থাংশের কম জনসংখ্যা কুড়ি বছরের তলায় এবং এক পঞ্চমাংশের বেশি জনসংখ্যা হবে ৫৯ বছরের বেশি হয়ে যাবে৷

সমীক্ষা বলছে, আগের স্তরে থাকা জনসংখ্যা পরিবর্তনের ফলে বিহার, উত্তর প্রদেশ, ঝাড়খন্ড, ছত্তিশগড়, মধ্য প্রদেশ, রাজস্থানে যুবকদের সংখ্যা রীতিমতো কমতে দেখা যাবে যদিও সেই সংখ্যাটা তুলনায় ভালই থাকবে৷

এই সমীক্ষায় উঠে এসেছে ৫-১৪ বছরের মধ্য থাকা সাধারণ স্কুলে যাওয়া শিশুদের অনুপাত ও কমে যাবে৷ জনপ্রিয় ধারণা রয়েছে বেশির ভাগ রাজ্যে নতুন স্কুল ভবন দরকার তার বদলে উল্টে স্কুলগুলিকে মিশিয়ে দিতে হবে৷