নিউজ ডেস্ক, কলকাতা: ৪০ তৃণমূল বিধায়ক যোগাযোগ রাখছেন বিজেপির সঙ্গে৷ প্রধানমন্ত্রীর এই দাবির জবাব দিলেন তৃণমূলের জাতীয় মুখপাত্র ডেরেক ও’ব্রায়েন৷

এদিন নিজের ট্যুইটারে মোদীকে ‘এক্সপায়ারি প্রধানমন্ত্রী বাবু’ বলে সম্বোধন করে ডেরেক লেখেন, এক্সপায়ারি প্রধানমন্ত্রী বাবু, আপনাকে সোজাসুজি বলছি। আপনার সাথে কেউ যাবে না। একজন কাউন্সিলরও নয়।

আরও পড়ুন: যোগাযোগ রেখেছেন ৪০ তৃণমূল বিধায়ক, মমতাকে শোনালেন মোদী

বিজেপির পোস্টার বয়ের বিরুদ্ধে এদিন বিধায়ক কেনাবেচার অভিযোগ আনেন রাজ্যের শাসক দলের জাতীয় মুখপাত্র৷ ট্যুইটে এই বিষয়টিকেও তুলে ধরেন তিনি৷ লেখেন, আপনি ভোটের প্রচার করছেন, নাকি ঘোড়া কেনাবেচা? আপনার শেষের শুরু হয়ে গেছে।

বাংলার রাজনীতিতে ঘোড়াকেনাবেচার অভিযোগ তুলে ডেরেক জানিয়েছেন তৃণমূল নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হবে৷ নালিশ জানানো হবে প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে৷

এদিন শ্রীরামপুরের সভা থেকে তৃণমূল নেত্রীকে হুঁশিয়ারি দেন মোদী৷ জানান আগামী ২৩ মে-র পর রাজ্যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের দুর্দিন আসতে চলেছে৷ একই সঙ্গে মোদীর ঘোষণা, ৪০ জন বিধায়ক তার সঙ্গে যোগাযোগ রেখেছেন৷ কাঁটা দিয়ে কাটা তোলারমতই যে তৃণমূলের পথেই জোড়াফুল শিবিরকে দুর্বল করতে সচেষ্ট বিজেপি তা এদিন প্রজানমন্ত্রীর কথা থেকেই স্পষ্ট৷

আরও পড়ুন: অনুব্রতর হাতে ‘নকুলদানা’ খেয়ে সুর নরম বিজেপির অনুপমের

অনুপম, সোমিত্র খাঁ থেকে অর্জুন সিং৷ তৃণমূল থেকে পদ্ম শিবিরে নাম লিখিয়েছেন৷ মুকুল রায়ের হাত ধরে৷ তালিকায় রয়েছে আরও৷ রাজনৈতিক মহলের বক্তব্য, নরেন্দ্র মোদীকে ভরসা জুগিয়েছেন মুকুল রায়৷ সেই পথেই তাই তৃণমূল বধের পরিকল্পনা মোদীর৷ ইতিমধ্যেই বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জানিয়ে দিয়েছেন বাংলা থেকে ২৩ আসন নূন্যতম লক্ষ্য তাদের৷

ভোটের মুখে মোদীর দাবির প্রভাব যাতে ইভিএমে না পরে তার জন্য মরিয়া জোড়াফুল শিবির৷ এই প্রেক্ষিতে তাই মোদীকে জবাব দিতেই কড়া ট্যুইট ডেরেক ও’ব্রায়েনের৷

প্রশ্ন অনেক: দশম পর্ব

রবীন্দ্রনাথ শুধু বিশ্বকবিই শুধু নন, ছিলেন সমাজ সংস্কারকও