স্টাফ রিপোর্টার, জলপাইগুড়ি: কখনও দরজায় ঠক ঠক৷ কখনওবা ঘরের ভিতর কে যেন দৌড়ে বেড়াচ্ছে৷ আবার কখনও অন্য চিৎকার চেঁচামিচি৷ খোলা চোখে দেখা যায় না৷ কিন্তু ষোল আনা উপলব্ধি করা যায়৷ ভূতের ভয় জেরবার জলপাইগুড়ির মাল ব্লকের মডেল হাইস্কুলের হস্টেল কনস্ট্রাকশন ম্যানেজারে পরিবার৷ আতঙ্কের চোটে হস্টেল ছাড়ছে আবাসিকরাও৷

আরও পড়ুন: ভারতী ঘোষের সম্পত্তি হিসেবে ৩২০ শতাংশের ‘গরমিল’

গত কয়েক মাস ধরেই ফাঁকা হোস্টেলে ভিতরে বিভিন্ন রকমের শব্দ হয়৷ তন্য তন্য করে খুঁজেও সেই শব্দের উৎস বোঝা যায়নি৷ উল্টে ক্রমশ তা বেড়ে যাচ্ছে৷ ভয় কাঁটা মডেল হাইস্কুলের হস্টেল কনস্ট্রাকশন ম্যানেজার ও তাঁর স্ত্রী৷ হস্টেল ম্যানেজার টোটোন রায়ের দাবি , ‘‘দু’বছর ধরে এখানে রয়েছি। মাঝে মধ্যেই বিভিন্ন রকমের শব্দ শুনতে পেতাম। কিন্তু ঘর থেকে বের হতাম না। গত তিনমাস ভুতের তান্ডব বেড়ে গিয়েছে৷’’ বেশ কয়েকবার ম্যানেজারের স্ত্রীকে ভূতে ধরেছে বলেও জানান তাঁরা৷ শব্দের চোটে ভয়ে আবাসিকরা রাতে তো নয়ই, এমনকী সকালেও হস্টেলে থাকতে চাইছে না৷ আতঙ্ক ছড়িয়েছে চেংমারি গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকাতেও৷

আরও পড়ুন: আমাজন-ফ্লিপকার্টে ক্লিক করে আপনিও সাহায্য পাঠাতে পারেন কেরলে

স্থানীয়দের দাবি, হোস্টেল তৈরির আগে ওই জায়গায় শ্মশান ছিল৷ তাই এখন হস্টেলজুড়ে শোনা যায় ভূতের শব্দ৷ ভয়ের জেরে এখন হস্টেল এলাকায় যান না অনেকে৷ বিজ্ঞান মঞ্চের সদস্যরা অবশ্য ভূতের অস্তিত্ব মানতে নারাজ৷ খুব তাড়াতাড়ি হস্টেলে গিয়ে বিষয়টি খতিয়ে দেখবেন বলে জানান তারা৷ ভূতের অস্তিত্ব নিয়ে বিতর্ক দীর্ঘ দিনের৷ অনেকেই বলছেন, ‘‘বিশ্বাসে মিলায় বস্তু তর্কে বহু দূর৷’ অনেকেই আবার বলছেন ‘ভূত যাকে ধরে সেই বোঝে’৷’’