গার্ল ফ্রেন্ডের ওপেন সেক্স  তাও টিভি চ্যানেলে লাইভ। এহেন কাজ দেখে আর চুপ থাকা যায়? ‘জান জায়ে পার গার্লফ্রেন্ড কা শান না জায়ে’। রেগে ফায়ার বয়ফ্রেন্ড,  সোজা গিয়ে কলার চপে ধরল টিভি চ্যানেল প্রোডিউসারের। একটাও টু শব্দটুকু করল না গার্লফ্রেন্ডের বিরুদ্ধে। আসলে করবেও বা কি করে যত দোষ তো ওই টিভি চ্যানেল প্রোডিউসারের। সার্বিয়ানের  বিতর্কিত টিভি রিয়্যালিটি শো বিগ ব্রাদারে ঘরে এক চাঁদরের তলায় চলছিল নিজের গার্লফ্রেন্ডের উদ্যাম সেক্স তাও আবার পর পুরুষের সঙ্গে। তাও আবার লাইভ। এই দৃশ্যে কেউ কি আর চুপ থাকতে পারে।

একটু পরিষ্কার করেই বলা যাক। সারা বিশ্বে এই মুহূর্তে সব থেকে বিতর্কিত টিভি রিয়্যালিটি শো বিগ ব্রাদার। এই শোতেই অংশ  নিয়েছিল মিরিলা নামে এক অষ্টাদশী  এই শোতে তার রুম মেট ছিল মিলুথিন মিলিজা নামে এক যুবক। অভিযোগ শো চলাকালীন মিরলাকে পানীয় খাওয়ানোর নাম করে তাতে উচ্চমাত্রার মাদক মিশিয়ে খাইয়ে দেওয়া হয়। এরপর নিজেকে কন্ট্রোল করতে না পেরে মিরিলা এবং তার রুমমেট যৌনসংগমে লেগে পরে।

গায়ে চাঁদর চাপা দিয়ে চলে উধুম সেক্স। তারই ছবি টিভি চ্যানেলে দেখতে পায় সকলে। এই গোটা ঘটনার পিছনে দায় টিভি চ্যানেল প্রোডিউসারের।   মিরিলার বয়ফ্রেন্ডের বক্তব্য, তাঁর গার্লফ্রেন্ড এই ধরণের কোনও কাজ করতে পারে না। উল্লেখ্য, গত বছরও  এই রিয়্যালিটি শো নিয়ে বিশাল এক অভিযোগ উঠেছিল। যদিও গত বারের ঘটনাটি ছিল বেলগ্রেডের। সেবার দেখা গিয়েছেল কপলদের  একটি বিশাল বড় গেস্ট হাউসে রেখে তাদের ঘনিষ্ঠ মুহূর্তের ছবি টেলিকাস্ট করে দেয়।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.